জামালপুর সদরে মোজাম্মেল হক হত্যা মামলার প্রায় ৩২ বছর পর একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো দু’মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এ সময় চারজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো: আবু বকর ছিদ্দিক এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো: হাফিজুর রহমান সরিষাবাড়ী উপজেলার ঢুরিয়াভিটা গ্রামের মরহুম রুহুল আমীনের ছেলে।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এ কে এম নাজমুল হুদা জানান, প্রধান আসামি হাফিজুর রহমান নিহত মোজাম্মেল হকের বাল্যবন্ধু। ১৯৯৩ সালের ২৩ মে বিকেলে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে মোজাম্মেল হককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান হাফিজুর রহমান। এরপর আর বাড়ি ফিরেননি মোজাম্মেল। পরদিন ২৪ মে মেষ্টা ইউনিয়নের হাসিল পারিল গৌরিপুর গ্রামে কাঁচা রাস্তার ওপর মোজাম্মেল হকের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর দাফন করে।
২৮ মে নিহত মোজাম্মেল হকের বড় ভাই শাহজাহান জামালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্তের পর ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে প্রায় ৩২ বছর পর এই রায় দেন আদালত।





