জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক বলেছেন, ‘নির্বাচনের ঘোষিত তারিখের আগেই গণহত্যার বিচার ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার দৃশ্যমান করতে হবে। অন্যথায় দেশ ও জাতি পূর্বের অবস্থাতে ফিরে যাবে। জুলাই আন্দোলনে এত শাহাদাতের পরেও সেই পুরনো বাংলাদেশ আমরা চাই না। একটি ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রের আদলে নতুন বাংলাদেশকে দেখতে চায় জাতি।’

বুধবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের উদ্যোগে নগরের বিআইএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক জাফর সাদেক বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এ বছরও ১৪-২৮ জুন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক পক্ষ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ উপলক্ষে আপনারা কার্যক্রম শুরু করেছেন। কিন্তু এবারের সাংগঠনিক ও বায়তুলমাল পক্ষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠনের সম্প্রসারণের পাশাপাশি সকল স্তরে বায়তুলমাল বিভাগকে সমৃদ্ধ করতে হবে। সংগঠনের মজবুতি অর্জনের জন্য তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত প্রোগ্রাম নিশ্চিত করতে হবে। কর্মীর মান উন্নয়নে দায়িত্বশীলদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে জেলা নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দীন মুহাম্মদ নোমান, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাকারিয়া, অ্যাডভোকেট আবু নাছের, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা কামাল উদ্দীন, নুরুল হক, মাওলানা আবুল ফয়েজ, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল মোস্তফা, আরিফুর রশীদসহ উপজেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী বছরের শুরুতেই সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করেছে সরকার। নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুযায়ী আমাদের নির্বাচনমুখী তৎপরতা বৃদ্ধি করা দরকার। এবারের নির্বাচনে সবকটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। জনগণ যেভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আস্থা রেখেছেন। আমাদের তৎপরতা বাড়িয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীদের পৌঁছানোর ব্যবস্থা করলে সকল আসনে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’

সভাপতির বক্তব্যে জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, কেন্দ্রীয় দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে সংগঠন সম্প্রসারণ ও মজবুতি অর্জনের লক্ষ্যে সকল পর্যায়ে ঊর্ধ্বতন শাখাসমূহের সফর নিশ্চিত করতে হবে। আর আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচন উপলক্ষে এমপি প্রার্থীদের নিয়ে প্রতিটি বাড়িবাড়ি গণসংযোগ অব্যাহত রাখতে হবে।