রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে। এ বছর ট্রাফিক সপ্তাহের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘সড়কে শৃঙ্খলা মানুন, নিরাপদ রাজশাহী গড়ুন’। এদিকে এবারের ট্রাফিক সপ্তাহ থেকে ২৩ দফা নির্দেশনা প্রদান করছে আরএমপি।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আরএমপি হেডকোয়ার্টারের সামনে ফেস্টুন ও বেলুন উড়িয়ে ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ কমিশনার ড. মো: জিল্লুর রহমান।

ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো: নাজমুল হোসেন ও উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। এছাড়া আরএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার ড. মো: জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ অপরিহার্য। ট্রাফিক সপ্তাহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, মনি চত্বর, লক্ষ্মীপুর মোড়, গৌরহাঙ্গা ও ভদ্রা মোড়- এ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বৃহৎ পরিসরে ট্রাফিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এসব স্থানে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত ৮০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে, যারা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও আইন প্রয়োগে সহায়তা করবেন। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশের সাথে সমন্বয় করে রোভার স্কাউট, বিএনসিসি, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের সদস্যরা ওই পয়েন্টগুলোতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।

এদিকে ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালীন যানবাহনের লাইসেন্স ও ফিটনেস যাচাই, হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, পথচারীদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করা, লিফলেট বিতরণ ও নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উদ্বোধন শেষে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে অংশ নেন বিআরটিএ, রাজশাহী সিটি করপোরেশন, আরডিএর প্রতিনিধি, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিএনসিসি, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন যানবাহনের মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।