নাটোরের লালপুরে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অ্যাম্বুলেসে থাকা শিমুল আলী (৫৫) নামে এক রোগী নিহত হয়েছেন। এ সময় এ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় পথচারী বাবা মেয়েসহ তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে লালপুর উপজেলার ত্রিমোহনী এলাকায় ঈশ্বরদী-বানেশ্বর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোগী শিমুল চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে।
আহতরা হলেন- লালপুরের নুরুল্লাপুর গ্রামের মুসার ছেলে ফজলু, তার মেয়ে ফাতেমা ও সাইফুলের ছেলে শিপন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগী শিমুল আলীকে অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজশাহী নেয়ার পথে লালপুরের নুরুল্লাপুর এলাকার শিপন নামে এক পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়। পরে লালপুর ত্রিমোহনী মোড়ে পুনরায় আরেক যাত্রীবাহী ভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে ফজলু তার মেয়ে ফাতেমা গুরুতর আহত হন। পরে অ্যাম্বুলেন্স ফেলে চালক পালিয়ে যায়। পরে রোগীসহ আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রোগী শিমুল আলীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক এবং আহত দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে লালপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুজ্জামান বলেন, বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।





