সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্তে গাছের ডালে ঝুলে থাকা বাংলাদেশী যুবকের লাশ হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

শুক্রবার (২০ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তবর্তী উৎমা এলাকায় বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

নিহত জাকারিয়া কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রনিখাই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী লামাগ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় বনপুর গ্রামের সাবেক মেম্বার আতাউর রহমান জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজিবি-বিএসএফ‘র বৈঠক হয়। পরে ১টার দিকে তার লাশ হস্তান্তর করা হয়।

তিনি আনো জানান, জাকারিয়ার পরিবারের সবার সাথে কথা বলে তার কোনো সমস্যা খুঁজে পাইনি। সদ্য বিয়ে করা স্ত্রীর সাথেও তার কোনো মনোমালিন্য ছিল না। এছাড়া এলাকায়ও কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না। ফলে তার অস্বাভাবিক মৃত্যু এলাকায় রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, পতাকা বৈঠক শেষে জাকারিয়ার লাশ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। লাশ থানায় নিয়ে আসার পর আইনিপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভোরে জাকারিয়া বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে উৎমা সীমান্তের ১২৫৭ নম্বর মেইন পিলারের ২০ নম্বর ছাফ পিলারের কাছে ভারতের অভ্যন্তরে একটি গাছের ডালে দড়িতে জাকারিয়াকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সময় তারা পরিবারকে জানালে লাশটি জাকারিয়ার বলে শনাক্ত করা হয়। পরে বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) স্থানীয় ক্যাম্পকে অবহিত করা হয়। ঘটনার পর থেকে সীমান্ত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে গত সোমবার একই ইউনিয়নের কাকরাইল গ্রামের এক তরুণীর সাথে বিয়ে হয় জাকারিয়ার।

বিজিবির উৎমা ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার মাজহারুল ইসলাম জানান, জাকারিয়ার মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।