জামায়াতের কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা গোপালগঞ্জে নারকীয় তান্ডব চালিয়েছে। তারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে, অবিলম্বে গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশের উপর নারকীয় তান্ডবের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাতকানিয়ার কেরানীহাট চত্বরে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক এর সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাকারিয়া, সাংগঠনিক সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য নুরুল হক, আরিফুর রশীদ, শূরা সদস্য ডা: আবদুল জলিল, এম ওয়াজেদ আলী, লোহাগাড়া উপজেলা আমির অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী, সাতকানিয়া উপজেলা আমির মাওলানা কামাল উদ্দীন, চন্দনাইশ উপজেলা আমির মাওলানা কুতুব উদ্দীন, উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক থানা আমির মাস্টার সিরাজুল ইসলাম ও সাতকানিয়া পৌরসভার আমির অধ্যক্ষ হামিদ উদ্দীন আজাদ প্রমুখ।
চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের বিক্ষোভ
এদিকে একই দিন বাদে আছর চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে বিশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মিছিলটি চট্টগ্রাম মহানগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেস ক্লাবের সামনে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা: এ কে এম ফজলুল হক।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রায় সাড়ে ৯২ হাজার শহিদের মধ্যে শতকরা ৬২ ভাগ অর্থাৎ তেষট্টি হাজার শহীদের মুসলিম জাতীয়তাবোধের ওপর ভিত্তি করেই ১৯৪৭ এর ১৪ আগস্ট আমরা ব্রিটিশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করি। ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ম্যান্ডেট মেনে নিতে অস্বীকার করায় ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে পড়ে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই ছিলো মহান মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য। কিন্তু, দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে ইন্দো-আওয়ামী বয়ান সৃষ্টি করে জাতীয় ঐক্য নষ্ট করা হয়েছে। অবশেষে লগি-বৈঠা তাণ্ডব চালিয়ে ১/১১ অসাংবিধানিক সরকার, ২০০৮ সালে ডিজিটাল কারচুপির অস্বাভাবিক পরিসংখানের নির্বাচন, ২০১৪ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচন, ২০১৮ সালে নিশিরাতে ফলাফল তৈরির নির্বাচন আর ২০২৪ সালে আমি-ডামি খেলার নির্বাচন করে ফ্যাসিবাদ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিল।’
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন নগর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, জামায়াত নেতা ফারুকে আজম, ইসমাইল, সিসিএর সভাপতি সেলিম জামান, আ ম ম মসরুর হোসাইন, হাফেজ আব্দুল আজিজ শোয়াইব প্রমুখ।








