আগামী ২৪ ঘণ্টায় গঙ্গা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কিছু স্থানে সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত থাকতে পারে।

নদ-নদীর পরিস্থিতি সম্পর্কে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা নদ-নদীগুলোর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে; অপরদিকে, পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীগুলোর পানি আগামী দুই দিন হ্রাস পেতে পারে এবং পরবর্তী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে; অপরদিকে, গঙ্গা-পদ্মা নদীগুলোর পানি সমতল আগামী পাঁচ দিন হ্রাস পেতে পারে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় গড়াই ও মাথাভাঙা নদীগুলোর পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে; যা আগামী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে ও পরবর্তী এক দিন হ্রাস পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় গড়াই নদী ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মাগুরা জেলার কিছু স্থানে সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত থাকতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা কুশিয়ারা নদীগুলোর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন হ্রাস পেতে পারে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় তিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে; অপরদিকে ধরলা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে ও তৃতীয় দিন বৃদ্ধি পেতে পারে।

সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর ১২৭টি পানি সমতল স্টেশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ৯১ পয়েন্টের পানি হ্রাস, ৩১টিতে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাঁচটি স্টেশনে অপরিবর্তিত রয়েছে। বাসস