সৌদি আরবের সাথে আরো আলোচনা চাইছে ইরান। তবে এক্ষেত্রে সৌদি আরবকেও আগ্রহী হতে হবে। এরপর দু’পক্ষ পাস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্মানের পরিবেশ গঠনের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে।
আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান ও সৌদি আরব তাদের কূটনীতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ২০১৬ সালে। গত বছর ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি সরাসরি আলোচনার আয়োজন করে ইরাক। ওই সময় ২০১৫ সালে হওয়া ইরানের পারমাণবিক চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বিশ্ব শক্তিগুলো। তখন ইয়েমেনে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে জাতিসঙ্ঘের প্রচেষ্টায়ও অচলাবস্থা চলছিল।
এখন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল কাদিমির সাথে এক ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি জানিয়েছেন, সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সৌদির সাথে আরো আলোচনা করেত প্রস্তুত ইরান। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, শনিবারের ওই ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন যে দু’পক্ষ ( ইরান ও সৌদি আরব) পাস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্মানের পরিবেশ গঠনের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যাবে। তবে এক্ষেত্রে সৌদি আরবকেও আগ্রহী হতে হবে।
এদিকে ইরানের সাথে সৌদি আরবের সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার আরেকটি নিদর্শন পাওয়া গেছে। ইরান জানিয়েছে, গত মাসে ইরানের তিন কূটনীতিক দূত সৌদি আরব গেছেন। তারা সৌদি আরবের জেদ্দায় ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা ওআইসির (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) সদর দফতরে গিয়ে তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে চার দফায় আলোচনা বৈঠকের আায়োজন করেছে ইরাক। ইরাক চায় তাদের মধ্যস্থতা দু’আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীর (ইরান ও সৌদি আরব) মধ্যে শান্তি ফিরে আসুক।
এসব আলোচনার বিষয়ে সৌদি আরব বলেছে, আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু, এখনো অনেক বিষয় জানার আছে।
অপরদিকে ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে অনেক বিষয়েই সমস্যার সমাধান হয়েছে।
সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড








