আজকের পত্রিকা

মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬

স্বাধীনতা খর্ব ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির আশঙ্কা ১৩টি বৈশ্বিক সংগঠনের

স্বাধীনতা খর্ব ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির আশঙ্কা ১৩টি বৈশ্বিক সংগঠনের

বাংলাদেশে প্রস্তাবিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অধিকারসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ের ১৩টি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো দাবি করেছে, প্রস্তাবিত এই বিলটি পাস হলে কমিশনের স্বাধীনতা চরমভাবে খর্ব হবে এবং এটি কেবল একটি ‘প্রতীকী’ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। গতকাল সোমবার ব্যাংকক, ঢাকা, জেনেভা, লন্ডন, নিউ ইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন শহর থেকে একযোগে এই যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশে প্রস্তাবিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অধিকারসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ের ১৩টি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো দাবি করেছে, প্রস্তাবিত এই বিলটি পাস হলে কমিশনের স্বাধীনতা চরমভাবে খর্ব হবে এবং এটি কেবল একটি ‘প্রতীকী’ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। গতকাল সোমবার ব্যাংকক, ঢাকা, জেনেভা, লন্ডন, নিউ ইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন শহর থেকে একযোগে এই যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।

অর্ডিন্যান্স থেকে পিছু হটার সমালোচনা : বিবৃতিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত বিলটি ২০১৫ সালের অর্ডিন্যান্সের (যা ২০২৫ সালে পুনরুজ্জীবিত করার পর ২০২৬ সালের এপ্রিলে বাতিল করা হয়) তুলনায় চরম একটি পশ্চাদপসরণ। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে কমিশনের যে স্বাধীনতা, কার্যকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, নতুন বিলে তা পদ্ধতিগতভাবে দুর্বল করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কমিশনের ওপর নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

খর্ব হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা : মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানায়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘প্যারিস নীতিমালা’ অনুযায়ী একটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আইনগত ও বাস্তবিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে হয়। কিন্তু নতুন বিলে কমিশন গঠনের ‘বাছাই কমিটি’তে সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো সরকারের নীতিগত পর্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের আচরণ বা কর্মকাণ্ড তদন্তের দায়িত্বে থাকা কমিশনারদের নিয়োগে সরকারেরই এমন সরাসরি ভূমিকা ‘স্বার্থের সঙ্ঘাত’ তৈরি করবে।

নিরাপত্তা বাহিনীকে দায়মুক্তির সুবিধা দেয়ার অভিযোগ : বিবৃতির সবচেয়ে আশঙ্কাজনক দিক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের প্রক্রিয়াকে। বাংলাদেশে অতীতে সঙ্ঘটিত গুম, নির্যাতন, হেফাজতে মৃত্যু ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো মূলত নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে।

প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে কমিশন স্বাধীন তদন্ত করতে পারবে না; বরং অভিযুক্ত বাহিনীর প্রধান বা সরকারের দেয়া প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করতে হবে। কমিশনের কোনো নথিপত্র জব্দ বা স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষমতা থাকবে না। সংগঠনগুলোর মতে, এই নিয়ম কার্যত ‘নিজেদের অপরাধের তদন্ত নিজেরাই করার শামিল’ যা অপরাধীদের প্রাতিষ্ঠানিক দায়মুক্তি দেবে।

এই বিষয়ে আরও

গুম প্রতিরোধের আইনেই কি দায়মুক্তির ফাঁক?

গুম প্রতিরোধের আইনেই কি দায়মুক্তির ফাঁক?

অপরাধের কঠোর শাস্তি, কিন্তু তদন্তের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন ষ আটক তথ্য গোপনের সুযোগের আশঙ্কা ষ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায় নির্ধারণে অস্পষ্টতা

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ এএম

এই সম্পর্কিত আরও

সাত মিনিটে এক মাইল দৌড়াতে হবে

সাত মিনিটে এক মাইল দৌড়াতে হবে

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ এএম

ডিআরইউ গেমসের পুরস্কার বিতরণ

ডিআরইউ গেমসের পুরস্কার বিতরণ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ এএম

পিএসজির প্রথম জয়

পিএসজির প্রথম জয়

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ এএম

ঝিলি-বর্ষার লক্ষ্য মূল জাতীয় দল

ঝিলি-বর্ষার লক্ষ্য মূল জাতীয় দল

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ এএম

পাকিস্তানের পতনে শক্ত অবস্থানে টাইগাররা

পাকিস্তানের পতনে শক্ত অবস্থানে টাইগাররা

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ এএম

ইউএস ওপেনের নতুন চ্যাম্পিয়ন জভেরেভ

ইউএস ওপেনের নতুন চ্যাম্পিয়ন জভেরেভ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৩ এএম