এআই প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, স্ক্যামারদের জন্য মানুষের সঙ্গে প্রতারণামূলক কাজ করা তত সহজ হচ্ছে। এ কারণে এআইয়ের মাধ্যমে স্ক্যামের ঘটনা বাড়ছে। এআইয়ের মাধ্যমে ছড়ানো স্ক্যাম থেকে বাঁচতে এর নানা ধরন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা জরুরি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতো সহজলভ্য উৎস থেকে নমুনা সংগ্রহ করে, এআই প্রযুক্তির সাহায্যে স্ক্যামাররা যে কারো কণ্ঠ নকল করতে পারেন। এর মাধ্যমে তারা ওই ব্যক্তির পরিবার ও বন্ধুদের খুব সহজেই প্রতারণায় ফেলতে পারে।
ডিপফেক এর মাধ্যমে এআই টুল ব্যবহার করে ভুয়া ছবি, ভিডিও বা অডিও তৈরি করা হয়। বর্তমানে ডিপফেক চেনা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় কঠিন হয়ে উঠেছে। স্ক্যামাররা প্রতারণার অংশ হিসেবে বিশেষ করে সেলিব্রিটিদের ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করে। এর মাধ্যমে তারা অর্থও দাবি করে। স্ক্যামাররা এআই ব্যবহার করে মানুষকে অর্থিক ভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। এসব থেকে নিরাপদ থাকতে সবসময় বিশ্বস্ত আর্থিক পরামর্শদাতার সঙ্গে পরামর্শ করা, বিনিয়োগ কোম্পানির কাছ থেকে প্রাপ্ত যেকোনো বার্তা যাচাই করা ও যথাযথ গবেষণা ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা বা অর্থ স্থানান্তর থেকে বিরত থাকা উচিত। স্ক্যামাররা এআই ব্যবহার করে এমন সব ফিশিং বার্তা তৈরি করে যেগুলো দেখে মনে হয় পরিচিত বা বিশ্বাসযোগ্য কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে। এ বার্তাগুলোয় ভুয়া লিংক থাকে, যা মানুষকে ক্লিক করতে প্রলুব্ধ করে।
প্রতারকরা এআই ব্যবহার করে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন ও নিয়োগকারীর প্রোফাইল তৈরি করে। এমনকি তারা এআই ব্যবহার করে ভুয়া ইন্টারভিউও নিতে পারে। এসব বিষয়ে সচেতন হলেই এআই নির্ভর প্রতারণা কমবে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।