কক্সবাজারের উখিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ধারালো অস্ত্রসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে এ অভিযানকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ও গোয়েন্দা তৎপরতার সফল উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করছেন স্থানীয়রা। একইসাথে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষজন।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের একটি সেতুর উপর থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার মো: ইলিয়াসের ছেলে আয়াস (২১) ও কুতুপালং পশ্চিম পাড়া এলাকার জালাল আহমদের ছেলে কফিল উদ্দিন (২৮)।
জানা যায়, সন্দেহভাজন অবস্থানে থাকা ওই দুই যুবককে থামিয়ে তল্লাশি চালালে একটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি কার্তুজ, একটি ছুরি, দুটি ধারালো দা ও একটি স্টেইনলেস স্টিলের পাইপ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আটক করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আরিফ হোসাইন বলেন, ‘আটক ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির উদ্দেশে মহাসড়কে অবস্থান করার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। একইসাথে ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘উখিয়াকে অপরাধমুক্ত রাখতে থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। বিশেষ করে মহাসড়ক ও আশপাশের এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’
স্থানীয়রা জানায়, এমএসএফ হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের সেতু এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই অপরাধীদের গোপন বিচরণ ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় ডাকাতির মতো অপরাধের প্রস্তুতির ঘটনায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘেঁষা জনপদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারো শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত তল্লাশি ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি আরো জোরদার করা দরকার বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।








