লাকসামে প্রায় প্রতিদিনই মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটছে। মোটরসাইকেল চুরি থেকে বাদ পড়ছে না ইমাম, সেলসম্যান, বাড়ির মালিক, মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ এমনকি সাংবাদিক।
মঙ্গলবার উপজেলার ছনগাঁও গ্রামে একটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা তদন্ত করে লাকসাম থানা পুলিশ। ওই গ্রামের ইমাম হোসেনের দুই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের অ্যাপাসি ফোর-বি মোটরসাইকেলটি গত ২ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে চুরি হয়। তিনি লাকসামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমামতি করেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গত ৫ ডিসেম্বর উপজেলার গাজিরপাড় গ্রাম থেকে একটি কোম্পানির ডিএসও মিজানুর রহমানের ঘরের কলাপসিবল গেইট ভেঙে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। এর আগে উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের মনোহরপুর এলাকা থেকে সেলিম মিয়া ও মনজুর আলমের দু’টি মোটরসাইকেল চুরি হয়।
অপর দিকে চুনাতি এলাকায় লিটন ও মানিক মিয়ার দু’টি মোটরসাইকেলের তালা ও রড ভেঙে ফেললেও চুরি হওয়া থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পায়।
তাছাড়া সম্প্রতি পৌর শহরের কারবালা দিঘীরপাড় এলাকা থেকে তিনটি মোটরসাইকেল, রাজঘাট হোসেন ফ্লাওয়ার মিল এলাকা থেকে দু’টি মোটরসাইকেল, হাউজিং এলাকার সাংবাদিক দলিলুর রহমান মানিকের বাসা থেকে একটি, সাংবাদিক হুমায়ুন কবির মানিকের একটি, সাংবাদিক তমিজ উদ্দিন আহমেদ চুন্নুর একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়।
এ বিষয়ে লাকসাম থানার উপ-পরিদর্শক এসআই আবু নাছের জানান, চুরি হওয়া মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধারে তদন্ত চলছে।
লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নিজাম উদ্দিন জানান, মোটরসাইকেল চুরি রোধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাতে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে লাকসাম বাইপাস থেকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অন্যান্য এলাকায় চুরি রোধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।








