গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দু’দিনে মর্টার শেল ও টাইমবোম উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দু’টিকে বোমা সদৃশ বললেও বিস্ফোরণ ঘটানোর পর প্রমাণিত হয়েছে একটি ছিল তাজা টাইমবোম ও অপরটি শক্তিশালী মর্টার শেল। এর মধ্যে মর্টার শেলটি বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর বোম নিষ্ক্রিয়কারী দল বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।
জানা গেছে, ৮ জুন গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের খলশী চাঁদপুর গ্রামের পাশে করতোয়া নদীর তীর থেকে পুলিশ মর্টার শেলটি উদ্ধার করে। কিন্তু পুলিশ ওই দিন বিষয়টি গোপন রাখে। পরের দিন বুধবার উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের শেরপুর ভাগগোপাল গ্রামের ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি মেহেদি হাসানের বাড়ি থেকে একটি টাইমবোম উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশ বিস্ফোরক দু’টিকেই বোমা সদৃশ বস্তু বলে চালিয়ে দেয়।
তবে ওই দিন ঢাকা থেকে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলকে খবর দিয়ে এনে টাইমবোমটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। অপর দিকে বৃহস্পতিবার রংপুর থেকে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের ক্যাপ্টেন আবু সালেহের নেতৃত্বে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী একটি দল এসে মর্টার শেলটি পরিক্ষা-নিরীক্ষার পর মর্টার শেলটি একটি শক্তিশালী মর্টার শেল বলে শনাক্ত করে।
এরপর ওই দলটি উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ইক্ষু খামার এলাকার ফাঁকা জায়গায় মর্টার শেলটির বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় মর্টার শেলটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে ধোঁয়ায় এলাকাটিকে আচ্ছাদিত হয়ে যায়।
এ দু’টি ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে।
তবে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মেহেদি হাসানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘থানার ফেসবুক আইডিতে তথ্য দেয়া আছে’ বলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।








