জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
সোমবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
খবরটিকে আজ গুরুত্বের সাথে প্রচার করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি শিরোনাম করেছে ‘আদালতের ভেতর ও বাইরে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর উল্লাস’। এই শিরোনামে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা হতেই আদালতের ভেতর ও বাইরে উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। বাইরে একদল মানুষ দোষীদের ফাঁসির দাবি জানিয়ে স্লোগান দিচ্ছিল। আদালতের ভেতরে করতালি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়, এরপর আদালত উপস্থিত সবাইকে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানায়।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসিনার মৃত্যুদণ্ড’ শিরোনামে নিজেদের প্রধান খবর প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, যা কয়েক মাসব্যাপী বিচার প্রক্রিয়ার পর ঘোষণা করা হলো। গত বছর ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানে প্রাণঘাতী দমনপীড়ন চালানোর দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ‘ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মৃত্যুদণ্ড’ শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে। এছাড়া ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর প্রকাশ করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির শিরোনামে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিলো আদালত।
ব্রিটিশভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান শিরোনাম করেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।
অপরদিকে পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন শিরোনাম করেছে, শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির শিরোনামে বলা হয়েছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ জন্য বাংলাদেশে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।
তবে বেশির ভাগ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে হাসিনার সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ড নিয়ে। দ্য হিন্দু, হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভি, এবিপি লাইভের শীর্ষ সংবাদ হিসেবে রাখা হয়েছে হাসিনার রায়ের খবর।















