১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালোরাত্রিতে পাক হানাদার বাহিনী যেভাবে এদেশের মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল, ৩০ ডিসেম্বর অনুরুপভাবে সরকার মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। শনিবার বিকেলে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ‘ধানের শীষে’ ভোট দেয়ার অপরাধে ধর্ষণের শিকার চার সন্তানের জননীকে দেখেতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেন, সরকার আজ দেশের ১৬ কোটি মানুষের কাছে নিন্দিত হচ্ছে। 

বেগম খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্ত করতে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, সবাইকে সুশৃঙ্খলভাবে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। ফখরুল বলেন, ‘ভোট নিয়ে গেছে মানে সব শেষ হয়ে গেছে, এটা ভাবলে চলবে না। মনে রাখতে হবে, ১৬ কোটি মানুষ আমাদের সাথে আছে। 

ধর্ষিত নারীকে দেখে এসে নোয়াখালীর মাইজদী আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত মত বিনিময় সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ এখন চরমভাবে ক্ষুব্ধ। এর অবসানের জন্য আমাদের অধিকারের আন্দোলনে নামতে হবে। 

নোয়াখালী আনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আঃ রহমানের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেএসডির সভাপতি ঐ্যফ্রন্ট নেতা আসম আঃ রব, ঐক্য ফ্যন্টের অন্যতম নেতা বঙ্গবীর কাদের ছিদ্দিকী বীর উত্তম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন,বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকট জাকারিয়া,অ্যাডভোকেট আঃ রহিম।

ঐক্যফ্রন্ট নোয়াখালী জেলা নেতা অ্যাডভোকট আবুল কাশেম,অ্যাডভোকেট বাবুল কান্তি মজুমদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, মোঃ শাহাজাহান, চেয়ার পারসনের উপদেস্টা আঃ আউয়াল পিন্টু, আতাউর রহমান টালি, জয়নাল আবেদীন ফারুক, নব নির্বাচিত এমপি হারুনুর রশিদ, সাবেক এমপি পাপিয়া আশ্রাব, রেহানা আক্তার রানু, শিরিন সুলতানা, জেলা বিএনপির সভাপিত গোলাম হায়দার বিএসসি সোনাইমুড়ী পৌর মেয়র মোহাতর হোসেন মানিক, যুবদলের জেলা সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন, সেক্রেটারী নুরুল আমিন খান প্রমুখ।