পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফেরণ ঘটানোর অভিযোগে দেড় শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: কামরুজ্জামান তালুকদার মামলা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার রাতে (৪ ডিসেম্বর) উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো: আবুল কালাম মোল্লা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কে এম হুমায়ূন কবিরসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১০২ জনকে নামীয় এবং ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিস্ফোরক দ্রব্যনিয়ন্ত্রণ আইনে এ মামলা করেন। মামলায় উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম বাবুলকেও আসামি করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা শেষ করে আবুল কালাম মোল্লা ও অন্য দলীয় নেতাকর্মীরা বাসায় যাওয়ার পথে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের দেড় শতাধিক নেতাকর্মী লোহার রড, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রসহ নিয়ে পৌরশহরের ব্যাংকপাড়াস্থ আওয়ামী লীগ অফিসের সম্মুখে এসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে যুবলীগ অফিসের টিনের বেড়া ও আওয়ামী লীগ অফিসের জানালার গ্লাসে ব্যাপক ক্ষতি হয়। পরে আসামিরা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যার উদ্দেশ্যে অফিসে ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: রুহুল আমিন দুলাল মামলাটি মিথ্যা ও গায়েবি দাবি করে বলেন, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির মহা সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের বাধা দেয়া সরূপ মামলাটি করা হয়েছে। এ মামলা দিয়ে মঠবাড়িয়া বিএনপিকে দুর্বল করা যাবে না বরং আরো শক্তিশালী হবে।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: কামরুজ্জামান তালুকদার মামলা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে রাতেই টহল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।