বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন বাহুল্য কাজে জড়িয়ে পড়েছে। সেই বাহুল্য কাজে না গিয়ে তারা যেন সত্যিকারভাবে প্রাপ্ত সময়টুকু দেশের মানুষের কল্যাণে ব্যয় করে। যতদ্রুত সম্ভব অত্যাবশ্যকীয় সংস্কার সম্পাদন করে দেশে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দেয়। যাতে করে এ দেশের মানুষ সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি পান।’
শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ ওকিয়া ফেরদৌস নিধির পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে তিনি গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।
ড. মঈন খান বলেন, ‘মাইলস্টোন স্কুলের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। কেননা, একটি ফুল ফোটার আগেই ঝরে পড়লো। তার জন্য কারা দায়ী, কি দায়ী, দুর্ঘটনা কেন হলো, দুর্ঘটনার পেছনে কোনো গাফিলতি ছিল কিনা— এই প্রশ্নগুলো দেশের ১৮ কোটি মানুষ করছে। আমরা সেই দ্বন্দ্বে যেতে চাই না।’
দুর্ঘটনা থেকে যেন শিক্ষা লাভ করি ভবিষ্যতে আমরা যেন এই ধরনের দুর্ঘটনা বাংলাদেশে আর কখনো না ঘটে সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক থাকি, সচেতন থাকি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনা যেকোনো সময় ঘটতে পারে, কিন্তু দুর্ঘটনা যদি কোনো গাফিলতের জন্য হয় তখনই কিন্তু মানুষের প্রশ্ন ওঠে। মাইলস্টোন স্কুলে এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যে দুর্ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন ওঠেছে।’
মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের জন্য সুচিকিৎসার ব্যবস্থা দাবি করেন ড. মঈন খান।
তিনি বলেন, ‘সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে, বিমান দুর্ঘটনার জন্য কাউকে দায়ী করতে চাই না। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকে। নির্বাচনে জনগণের মুখোমুখি হই প্রতি পাঁচ বছর পরপর।’
এ সময় ড. মঈন খান গত আওয়ামী লীগের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচনকে ভুয়া বলে আখ্যা দেন।






