বিন্দু বিন্দু ঘামগুলো সাগর হতে পারত
অন্তত ঢেউ টলোমলো নদী।
থোকা থোকা কষ্টগুলো হতে পারত অগ্নিপিণ্ড
কিংবা লাভাস্তূপ ।
স্তূপীকৃত ঘৃণাগুলো হতে পারত
জমিন উল্টে দেবার মতো ভূকম্পন।
ছোট ছোট কথাগুলো হতে পারত বারুদের ব্যাকরণ।
নিদাঘ দুপুরের দীর্ঘশ্বাসগুলো হতে পারত কার্তুজের উপমা।

না, শেষ পর্যন্ত কিছুই হলো না।
সময়ের সর্বাঙ্গে স্থবিরতা।
বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া মস্তক যেমন
গর্দানের সাথে জোড়া লাগে না ---
ঠিক তেমনি বিশ্বাসের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ
মানুষকে আর সাহসী করে তোলে না।

পৃথিবীর বাঁক বদলের জন্য কোনো
অগ্নিশ্বাসী দ্রোহী হৃদয় কি নেই?
কোথাও কি নেই পৌরুষদীপ্ত যৌবন?

সূর্য অস্তে যাবার আগে কঠিন ধমকে
স্মরণ করিয়ে দিলো---
'একদা গোবরে পদ্মফুল ফুটিয়েছিলে
হে মানব, মনে আছে?'

এটা বিদ্রƒপ নাকি কালের ভ্রুকুটি---
কিছুই বুঝতে পারলাম না।