ব্রিটেনের দু’বারের প্রধানমন্ত্রী (১৯৪৫-৫০; ১৯৫১-৫৫) এবং বিশ্বের অন্যতম স্টেটসম্যান বলে খ্যাত সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী স্যার উইনস্টন চার্চিলের গণতন্ত্র সম্বন্ধে একটি বিখ্যাত উক্তি দিয়ে এ লেখার বিষয়ের অবতারণা করছি। তিনি বলেছিলেন, ‘একজন ছোটখাটো মানুষ হাতে ছোট পেন্সিল নিয়ে ছোট একটি ভোট কক্ষে ছোট একটি ব্যালটে ছোট একটি দাগ দিয়ে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, গণতন্ত্রের ভীত রচনা করেন।’ যদিও তাকে ঘিরে বহু বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছিল বিশেষ করে ১৯৪৩ সালে বাংলায় দুর্ভিক্ষ এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধে গ্যালিপলির ব্যর্থ অভিযানের প্রেক্ষাপটে। তথাপি তিনি একজন সফল গণতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
চার্চিলের উক্তিতে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, গণতন্ত্রের মূলে একটি মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার। সঠিক ভোট প্রদান এবং প্রত্যেক ভোটারকে নির্বিঘেœ ভোটদানের নিশ্চয়তাই গণতন্ত্রের অন্যতম মূলমন্ত্র। জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার সনদে নির্বিঘেœ ভোট প্রদানকে মানবাধিকারের অন্যতম উপাত্ত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের অত্যন্তÍ গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে এ সনদের স্বাক্ষরকারী। কাজেই প্রত্যেক ভোটারের নির্বিঘœ ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তার পরিবেশ সৃষ্টি করা প্রত্যেক সরকারের দায়িত্ব। ভোটাধিকার নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব রাষ্ট্রের অন্যতম সাংবিধানিক স্বাধীন এবং সর্বপ্রকার ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান স্বাধীন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের।
সংবিধান এবং সংবিধানের আলোকে প্রণীত নির্বাচনী আইন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে অগাধ ক্ষমতা প্রদান করেছে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার। আইনের আলোকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে আরো স্বাধীনভাবে বিধি প্রণয়ন করার এমনকি নির্বাচনকালীন নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনও আইনের ও বিধির ক্ষমতাসম। উপমহাদেশের অনেক দেশে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের মতো আইনের আওতায় এককভাবে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয়নি। কাজেই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আইন ও বিধির দিক থেকে শক্তিশালী বলা যায়।
এত ক্ষমতা সত্ত্বেও দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সঙ্ঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়োগিক ক্ষেত্রে শক্ত ভিতে যেমন দাঁড়াতে পারেনি তেমনি কার্যকরও হতে দেখা যায় না। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন মুখ্য। হয়তো এর পেছনে অন্যান্য পারিপার্শ্বিক কারণ থাকতে পারে। তবে দৃশ্যত নেতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া ক্রমেই জটিলতা সৃষ্টির কারণে কমিশনের কার্যক্রমের ওপর যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। এ ধরনের প্রভাব ঠেকাতে সময় সময় নির্বাচনী আইন ও বিধির সংস্কারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। অতীতে আইন সংস্কারে প্রতিটি নির্বাচনের বিশ্লেষণলব্ধ নেতিবাচক দিকগুলোকে প্রতিহত করতে সংযোজন করা হয়েছে নতুন নতুন ধারা। তবে ধারা যুক্ত করাই নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রয়োজন এ সব ধারা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ।
আমাদের দেশে বিগত কিছু বছরে নির্বাচনী আচরণের ব্যত্যয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং অনেকাংশে নির্বাচন কমিশনের আইন প্রয়োগে দুর্বলতার কারণে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা পরিলক্ষিত। ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা। প্রতিটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনকে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ আগেও ছিল, তবে ইদানীং বিশেষ করে গত কয়েক বছরে চ্যালেঞ্জের মাত্রা বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ উপসর্গ নির্ণয় করতে প্রয়োজন অতীত এবং হালে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনকে বিশ্লেষণ করা এবং তার প্রতিকার খুঁজে পাওয়া, যার মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী ুদ্র (গরপৎড়) ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, হালে কয়েকটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় তেমন দেখা যায়নি।
যেহেতু বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার (ঊষবপঃড়ৎধষ ঝুংঃবস) কারণে প্রতিযোগিতা প্রধান দুটি দলের সরকারি এবং বিরোধী দলের মধ্যেই হয়ে আসছে সে কারণে বৃহত্তর সংখ্যার ভোটারেরাও দুই দল বা কথিত জোটের মধ্যেই বিভক্ত। বাস্তবিক নিরিখে বর্তমানে বাংলাদেশের নিবন্ধিত এবং নিবন্ধন প্রয়াসী রাজনৈতিক দলের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়া ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার ক্ষমতাও অন্যান্য দল রাখে না। এমনকি এই বাস্তবতার ছাপ দেখা যায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতেও যা এখন দলীয় পতাকা তলেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ কারণেও জটিল সমস্যার সৃৃষ্টি হয়। নিরপেক্ষ অথবা বৃহত্তর ভোটারের সামনে খুব একটা বিকল্প থাকে না।
উপরের আলোচনার বাস্তবতার নিরিখে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ পড়ছে। চাপ পড়ছে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় যেখানে গুরুতর অভিযোগের তীর সরকারি দলের নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করার উপরেই ছোড়া হচ্ছে।
নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার (ঊষবপঃড়ৎধষ গধহধমবসবহঃ) দুটি ভাগ রয়েছে। একটি অংশ সার্বিক (গধপৎড়) এবং অপরটি ুদ্র (গরপৎড়) ব্যবস্থাপনা। উভয় ক্ষেত্রই নির্বাচনী আইন, প্রচলিত ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োগের বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আইন, বিধি এবং পরিপত্র দ্বারা বিধৌত রয়েছে। গত নির্বাচনগুলোতে নির্বাচন কমিশন ুদ্র ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়েছে এবং এগুলোকে চিহ্নিত না করলে আগামী নির্বাচনগুলোর উপরে যার মধ্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন রয়েছে, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নবোধক চিহ্ন উঠবে।
হালের নির্বাচনী ুদ্র ব্যবস্থাপনায় যেসব ত্রুটি পরিলক্ষিত তার মধ্যে অন্যতম নির্বাচনী এজেন্ট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বিশেষ করে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে গুরুতর অভিযোগ ক্রমবর্ধমান। দৃশ্যত এসব অভিযোগ নির্বাচন কমিশন আইনগত ও যৌক্তিকভাবে খণ্ডন করতে অথবা এ ধরনের অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রতিকারের পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
একটি নির্বাচনকে অবাক সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে আইনানুগভাবে এবং প্রয়োজনে যেসব পদক্ষেপ নিতে হয় তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতি বুথে প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেয়া। সাধারণত ওই এলাকার কর্মীদের মধ্য থেকে প্রার্থীর পক্ষে নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে পারবে এমন ব্যক্তি অথবা ব্যক্তিবর্গকে নিয়োগ দেয়া। পোলিং এজেন্ট নির্বাচনী ুদ্র ব্যবস্থাপনার উপাত্ত হলেও এজেন্ট না থাকার কারণে ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে না। পোলিং এজেন্টের অতীব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের করণীয় অত্যন্ত গুরুত্বের বিধায় গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ১৯৭২ (জচঙ-১৯৭২)-এর অনুচ্ছেদ ২২ এবং ২৩ এ বিস্তারিতভাবে উল্লেখিত হয়েছে।
উপরের ওই ধারা মোতাবেক নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বও রয়েছে। অনুচ্ছেদ ২৩ এর প্রভিশনে বর্ণিত রয়েছে। ওই অনুচ্ছেদে বলা আছে যে, ভোটগ্রহণের সময়ের পূর্বে পোলিং অফিসার অবশ্যই দেখবেন যে, সব প্রতিযোগী প্রার্থীর নির্ধারিত এজেন্ট উপস্থিত রয়েছে কিনা? যদি কোনো প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট হাজির না থাকে তবে প্রিজাইডিং অথবা পোলিং অফিসার যথাসম্ভব কারণ খুঁজে বের করবে এবং এর বর্ণনা নির্ধারিত ছকে লিখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, রিটার্নিং অফিসার ও যথাযথ মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। এমনকি পোলিং এজেন্ট যদি মাঝপথে বুথ ত্যাগ করতে চায় তা পোলিং অফিসারকে জানাতে হবে এবং তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নথিভুক্ত করবেন। এমন কি বিস্তারিত নির্দেশাবলি নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েলেও সংযুক্ত করা রয়েছে।
এই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ২০০১ এবং ২০০৮ সালে বর্ণিত করা হয়েছিল। এসব আইন ও বিধিতে নির্ধারিত পোলিং এজেন্টের তালিকা এবং তালিকার ভিত্তিতে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক ছবিসহ পরিচয়পত্র প্রদানের কথা থাকলেও ইদানীং সর্বক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় হতে দেখা যাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্ট যেমন পরিচয়পত্র সাথে রাখে না অথবা নেয় না বরং নিজস্ব দলীয় প্রতীকের ব্যাচ লাগিয়ে পোলিং এজেন্টের ভূমিকা পালন করে। এ আচরণ আইন ও আচরণবিধির পরিপন্থী। কোনো রিটার্নিং অফিসার অথবা পোলিং অফিসারকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি বা তথ্য পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনী এজেন্ট এবং পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব যদিও নিজ নিজ প্রার্থীর কাছে হলেও নির্বাচন কমিশনেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে প্রথমে জানতে হবে যে একজন প্রার্থী প্রতি বুথে নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেছেন কি না? এই তথ্য অবশ্যই সহজলব্ধ। কারণ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পরিচয়পত্র এবং সব তথ্য নথিভুক্ত না করে পোলিং এজেন্টকে বুথে যেতে দেয়া হয় না। অপর দিকে, প্রার্থীর দায়িত্ব রয়েছে সঠিক এজেন্ট নিয়োগ এবং তার কর্তব্য বুঝিয়ে দেয়া।
নির্বাচন কমিশন এজেন্টদের উপস্থিতি নিয়ে যে অভিযোগ তা সহজেই তদন্ত করতে পারবে যদি আইন এবং বিধি মোতাবেক এজেন্টদের উপস্থিতি অনুপস্থিত অথবা পোলিং বুথ ত্যাগ করার বিষয়গুলো নির্ধারিতভাবে নথিভুক্ত করে। রাজনৈতিক দলের দাবি অবশ্যই নথির আলোকে খতিয়ে দেখবে।
অতি সংক্ষেপে এজেন্ট নিয়ে বিবাদের বিষয়ে আলোচনা করার কারণ হচ্ছে, এ ধরনের ুদ্র ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশন কতখানি গুরুত্ব নিয়ে দেখে থাকে তা নির্ণয় করার জন্য। এসব ুদ্র ব্যবস্থাপনার ব্যত্যয়ও অবশ্যই আইনিভাবে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা নির্বাচন কমিশনকে ভেবে দেখার রয়েছে তা হলো, এজেন্টদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বিভিন্ন নির্বাচনে প্রতিপক্ষ দলের প্রার্থীদের অহরহ অভিযোগ থাকে যে, তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের হয় আগের রাতে ভয়ভীতি দেখিয়ে পোলিং সেন্টারে আসতে দেয়নি আর যারা এসেছিল তাদের বুথ থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এসব গুরুতর অভিযোগ। বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিশেষ করে সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে এ ধরনের অভিযোগের অঙ্গুলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর দিকে উঠেছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত এ ধরনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন কখনোই খতিয়ে দেখেছে কিনা জানা যায়নি।
এ ধরনের অভিযোগ নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো নির্বাচনকেই সুষ্ঠু নির্বাচন বলা যায় না। এ ধরনের নির্বাচনকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। এ ধরনের ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে অকার্যকর করে। একটি ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে যে ধরনের সরকার বা প্রশাসনব্যবস্থা তৈরি হয় তা আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তাত্ত্বিকেরা ‘হাইব্রিড ডেমোক্র্যাসি’ নামে আখ্যায়িত করেছেন।
যা হোক, ইদানীং এ ধরনের ুদ্র ব্যবস্থাপনায় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদাসিনতার প্রবণতা বেশ দৃশ্যমান। নির্বাচনের প্রাক্কালে ুদ্র ব্যবস্থাপনার ওপর অবশ্য গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিভিন্ন প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট এবং মাঠপর্যায়ে এজেন্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত। অপর দিকে প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলেরও দায়িত্ব রয়েছে নিজেদের এজেন্টদের দায়িত্ব এবং অধিকার সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেয়া।
উপসংহারে উল্লেখ করতে চাই, নির্বাচন কমিশনকে নিয়োজিত এজেন্টদের নিরাপত্তা বিধান করার পন্থা উদ্ভাবন করা উচিত, যাতে ভয়ভীতি দেখিয়ে এজেন্টদের দূরে রাখা অথবা বুথ থেকে বের করে দেয়ার মতো ঘটনা হ্রাস করা যায়।
প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এবং পোলিং এজেন্টদের আইনানুগ করণীয়, দায়িত্ব এবং অধিকারের সমন্বয় করে আলাদাভাবে হ্যান্ডবুক (ঐধহফনড়ড়শ) তৈরি করে বিতরণ করার পদক্ষেপ নেয়া উচিত।
নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার সার্বিক এবং ুদ্রাংশ উভয়ই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাত্ত। নির্বাচন কমিশনেরই দায়িত্ব শুধু ব্যবস্থাপনার, কাজেই ুদ্র ব্যবস্থাপনাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা কাম্য নয়।