রূপান্তর
রাজার ঘোষণা, ‘যে আমার রাজকুমারীর মুখ শতবার দেখতে পাবে সে-ই আমার কন্যাকে বিবাহ করতে পারবে। রাজকুমার তার সামনে আসে। সামনে এসে ঘুরঘুর করে নায়কের মতো ছেলেরা। রাজকুমারী লজ্জাবতী লতা। একবারও মুখ তুলে তাকায় না তাদের দিকে। রাজার মনে ভয়। রানিকে বললেন, ‘এভাবে চলতে থাকলে রাজকুমারীর বিয়েই হবে না।’
ঠিক সেই সময় একজন সৈনিক এলো নগরে। বিধবা মায়ের সাথে দেখা করতে এই পথেই বাড়ি ফিরছিল সে। প্রাসাদের জানালায় এসে আছে রাজকুমারী আনিসিয়া। প্রথম দেখাতেই ভালোবাসায় পড়ে গেল সে। সিদ্ধান্ত নিলো, যেভাবেই হোক রাজকুমারীকে পেতেই হবে। সেদিনই সে নতুন একটি কোট কিনল। দোকানদার রাজকুমারীর ছবি আঁকা বেশ কিছু কয়েন দিলো সৈনিকটির হাতে। আর সেগুলো বদলে সে রাজার থেকে জোগাড় করল একশতটি কয়েন। ফুরফুরে মনে চলল রাজপ্রাসাদের দিকে।
‘আমিই একশতবার রাজকুমারীর মুখ দেখেছি।’ সে চিৎকার করে বলল। রাজা তো মুগ্ধ। রাজকুমারী আর বুদ্ধিমান সৈনিকের চারহাত মিলিয়ে দিলেন তিনি।
