গুমধরা স্থূল মেঘ সিদকাটে অন্তরে বাহিরে।
অহির্নিশি কেটে যায় নিরালোক আঁধারের ধূমÑ
ঘরে, জ্বলে পুড়ে যায়, মেঘ ঝরঝর বারিধিরÑ
শ্বাস ও প্রশ্বাসে টুপকে ঝরে না সুশান্ত অবগাহে,
গলিত মোমের মতো ক্ষণ যায়, অথচ পাই না
কোনো তাত্ত্বিক দর্শন। কি করি কোথায় কি বা হয়Ñ
অজান্তের ত্রিসীমায়, পাক খায় আলোক দেউটি
চোখ দুটি দ্যুতিহীন রোবটের মতো যন্ত্র টিপে চলে
আত্মবিশ্বাসের অনুভূতি কোমল কুসুমে
ছেদ পড়ে পড়োদহে জ্বলে। সময় বদলে যায়
মানুষেরও বদল হয়,Ñ ভুলে যায় তার পিছেÑ
ফেলা আত্মজৈবনিক অদৃশ্যের ছায়াকেলী, মুছেÑ
ফেলে গতায়ু বর্ণিল স্থাপত্যে গড়া শিল্প
বিকাশের আবরণ। ঢেকে দেয় কালো পর্দা টেনে।
