বর্ষারানীর দেশ
ইদ্রিস সরকার
বৃষ্টিরানীর সৃষ্টি আমার বর্ষারানীর দেশ
তাই তো বাংলাদেশটা জুড়ে সবুজ শ্যামল বেশ।
খাল ও বিলে নদীর জলে
রুপালি তার ঢেউ
এমন রূপের দেশ কোথাও
আর দেখোনি কেউ!
বৃষ্টিরানী দিচ্ছে ভরে পলি মাটির খনি
ধান কাউনে গড়ছি জীবন পাচ্ছি মুক্তা মণি।
বাদলারানীর এ দেশ আমার
ভাটিয়ালীর সুর
জারি সারি বাউল সঙ্গীত
মনের অচিনপুর।
বৃষ্টিরানীর সৃষ্টি আমার সবুজ বাংলাদেশ
ফুল-ফসলে বাঁচায় জীবন শ্যামল পরিবেশ।
বর্ষারানীর এ দেশ আমার
বৃষ্টিরানীর দেশ
মাঠে ঘাটে বাতাস দোলায়
ফুল ফসলের কেশ।
ছন্দে মাতামাতি
ইমতিয়াজ সুলতান ইমরান
আম্মু বলে, পড়তে বসো
আব্বু বলে, লেখো
আচ্ছা ভাইয়া করবোটা কী
একটু তুমি দেখো।
ভাইয়া বলে, সবচে’ ভালো
তুমি কিছু আঁকো
খাতার মাঝে ছবি এঁকে
কালিটালি মাখো।
আচ্ছা দাদু তুমি বলো,
কার কথাটা শুনি?
দাদু বলে, ছড়া লিখো
লেখক তুমি গুণী।
বুঝতে পারি, কবির কদর
বিজ্ঞলোকে জানে
দাদুর কথায় সত্যি আমার
ছন্দ জাগে প্রাণে।
দাদুর কথায় খুশি হলাম
ছড়া আমার সাথী
ছড়ার সাথে করি আমি
ছন্দে মাতামাতি।
বৃষ্টি খুকি মিষ্টি খুকি
আব্দুল মালেক জাগরণী
বৃষ্টি রানী মিষ্টি রানী
আয় চলে আয় আমার ঘরে
আমার বাড়ির টিনের চালে
কাহারবা নয় ঝুমুর তালে
ঝুমঝুমা ঝুম বৃষ্টি পড়ে।
বৃষ্টি খুকি মিষ্টি খুকি
আয়রে করি ছুটোছুটি
বাঁধনহারা শাসনহারা
গুরুজনের ভাষণহারা
ইচ্ছে স্বাধীন লুটোপুটি।
বৃষ্টি মেয়ে মিষ্টি মেয়ে
আজকে হবি খেলার সাথী
ঝুমকোজবার নূপুর পায়ে
আয় চলে আয় আমার গাঁয়ে
সবাই মিলে খেলায় মাতি।
বৃষ্টি বধূ মিষ্টি মধু
আয়রে চলে নাচন তুলে
আজকে সবাই পথ ভুলে যায়
হিংসা-বিভেদ মত ভুলে যায়
খুশির নদী উঠুক দুলে।
দিদুন সোনা
সনজিত দে
মায়ের কোলে দিদুন সোনা
দেখতে কি তুলতুলে
এদিক-ওদিক তাকায় শুধু
টিপটিপে চোখ খুলে।
প্রাণজুড়ে যায় দেখে ওকে
রাখে কেবল চোখে চোখে
নেমে এলো আকাশ থেকে
যেন টুকরো চাঁদ
ছড়িয়ে পড়ে আনন্দের এক
খুশির সংবাদ।
