হেমন্ত এসেছে সারা দেশজুড়ে দোদুল দোদুল ছন্দে,
চপল বাতাসে সারা মাঠ আজ উতলা ধানের গন্ধে।
ধানক্ষেত আলে কৃষাণ দাঁড়িয়ে দেখে মাঠভরা ধান,
পুলকে পুলকে নেচে ওঠে তার বুকের ভেতরে প্রাণ।
দলবেঁধে চাষি পাকা ধান কাটে জারি সারি গান গেয়ে,
বোঝা বেঁধে ধান গৃহপানে নিয়ে যায় ছুটে যায় ধেয়ে।
চাষির উঠান যায় ভরে যায় পাকা সোনা ধানে,
সে ধানে কৃষাণী ভরে তার গোলা পুলকিত ভরা প্রাণে।
চলে নবান্নের মহোৎসব সারাটি পল্লীজুড়ে,
মেতে ওঠে সবে নতুন খুশির মধুর চপল সুরে।
নতুন ধানের পিঠা পায়েসের ধুম পড়ে যায় গাঁয়,
সারা গাঁও জুড়ে পিঠার সুবাস বয়ে যায় ধীর বায়।
সারা রাত ধরে জারি সারি গান চাষির উঠানজুড়ে,
পুলকে মধুর ছড়ায় যে সুর গ্রাম ছেড়ে ওই দূরে।
হেমন্ত আসে হেমন্ত যায় আবার যে আসে ফিরে,
হেমন্ত যেন ঐতিহ্যময় লক্ষ্মী বাংলার নীড়ে।