যেদিন রোমনগরী পুড়ে ছাই হলো- হরপ্পা মহেনজাদোরা মৃত্তিকার গহ্বরে ঠাঁই নিলো, হিরোশিমা-নাগাসাকির লাখ লাখ আদম সন্তানের নাক থেকে খসে গেল শেষ নিঃশ্বাস, সেদিনও কোকিল গলা ছেড়ে গান গেয়েছে, বকুল ফুল বুক উজাড় করে গন্ধ বিলিয়েছে, মাছেরা খেলা করেছে, ভ্রমর গুন গুন করে গান গেয়েছে অর্থাৎ প্রকৃতি তার নিয়মের ব্যত্যয় ঘটায়নি। যথাসময়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত, দিন-রাত, জোয়ার-ভাটা, অমাবস্যা ও পুর্ণিমা স্বাভাবিক নিয়মে হয়েছে। নিষ্ঠুর প্রকৃতি ও নিয়ম মেনে চলে। মাঝে মধ্যে অনিয়ম হলেই মানুষের সর্বনাশ বা বিপদ ঘটে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় অনিয়ম বা বিপর্যয়ের নাম হলো যুদ্ধ। যা শান্তিকামী মানুষের মোটেই কাম্য নয়। তবুও যুগে যুগে, দেশে দেশে, জাতিতে জাতিতে, ধর্মে ধর্মে বা স্বার্থ ও ক্ষমতার জন্য এ সঙ্ঘাত, লড়াই বা যুদ্ধ এখনো অব্যাহত রয়েছে। অতীতের কলিঙ্গ যুদ্ধের একটি ঘটনা দিয়েই আজ লেখা শুরু করছি। সারা বিশ্বে যদি ছয়জন শ্রেষ্ঠ শাসকদের নাম উল্লেখ করতে হয় তাহলে সম্রাট অশোকের (৩০০-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব) শৌর্য-বীর্য আর মহানুভবতার কথা লিখতে হবে। তিনি ৯৯ ভাইকে হত্যা এবং প্রথম জীবনে নিষ্ঠুর ও রাজ্যজয়ের নেশায় নির্মমভাবে শত্রুদের হত্যা করতেন। নিষ্ঠুরতাই ছিল তার কাছে বীরত্বের প্রতীক। কলিঙ্গের অসম যুদ্ধের পরাজয় নিশ্চিত জেনে তিনি দুর্ধর্ষ সেনাবাহিনীকে মহা উৎসাহে লুণ্ঠন ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেন। যতক্ষণ না পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্র শ্মশানে পরিণত হয়। একতরফা নরহত্যা, বীভৎসতা, চারিদিকে কান্না আর আর্তনাদে গ্রামের পর গ্রাম, রাজপথ নগর, বন্দর দাউ দাউ করে জ্বলতে লাগল। কলিঙ্গ নরকে পরিণত হলো। যুদ্ধের করাল গ্রাস থেকে দরিদ্র মানুষ শিশু, নারী, ব্রাহ্মণ, মঠ, মন্দির, তপোবন কোনো কিছু রেহাই পেল না। কলিঙ্গে হাতির পিঠে চেপে যেতে চায় বিজয়ী অশোক চারিদিকে কেবল মানুষের আর্তনাদ আর মৃত্যু পথযাত্রীদের কাতর আবেদন শুনলেন। দেখলেন কেউ সামান্যটুকু পানির জন্য ছটফট করছে এবং আকাশে মাংসের চারদিকে লোভে শকুনের দল ভিড় করছে। চারদিকে লাশ আর লাশ বিভীষিকাময় দৃশ্য এবং জ্বলন্ত আগুন দেখে অশোক শিহরিত হয়ে মানসিক যন্ত্রণার শিকার হলেন। নিহত এক লাখ মানুষ নিষ্পলক ঘৃণাভরা দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে। দেড় লাখ স্বজনহারা নিরাশ্রয় মানুষ বন্দী হয়ে গোপনে তাকে অভিশাপ দিচ্ছে। আহত মানুষরা প্রশ্ন করছে? রাজা বলো কী আমাদের অপরাধ? তিনি নীরবে কলিঙ্গ থেকে বিদায় নিলেন এবং ভাবলেন এটা আমার জয় নয় বরং চূড়ান্ত পরাজয়। অনুতাপের অনলে পুড়ে তার অন্তরে নতুন এক প্রজ্ঞার আলো জ্বলে উঠল। হত্যা, যুদ্ধ এবং হিংসা বিসর্জন দিয়ে চণ্ডাশোক অশোক রূপান্তরিত হলেন ধর্মাশোক বা মহামতি অশোকে। অবশেষে তিনি জৈন ধর্ম থেকে অহিংস বৌদ্ধ ধর্মগ্রহণ করে মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করলেন। আজ যারা পৃথিবীতে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা খেলছে। তাদের কি নিরীহ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের ধ্বংস দেখে বিবেক জাগ্রত হবে? হলে হতেও পারে, নাও পারে। গত শতকে পৃথিবীতে দুই দু’টি মহাযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এতে অনেক দেশ জড়িয়ে পড়ে। প্রথম যুদ্ধটি চলে ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত এবং দ্বিতীয়টি ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত। দু’টি যুদ্ধেই অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয় বহু শহর জনপদ ধ্বংস হয়। মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রা থমকে দাঁড়ায় এ দু’টি যুদ্ধের ফলে। যুদ্ধের ভয়াবহতা, নিষ্ঠুরতা ও ধ্বংসের ব্যাপকতা দেখে সারা পৃথিবীর চিন্তাশীল মানুষ ও রাষ্ট্রনেতারা বিচলিত হয়ে পড়েন। তারা ভাবতে থাকেন কিভাবে পৃথিবীকে যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা যায়। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যকার বিরোধ মীমাংসা এবং তাদের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে গঠিত হয় ‘লিগ অব নেশন্স’ বা ‘জাতিপুঞ্জ’। কিন্তু বিভিন্ন দেশের স্বার্থপরতার কারণে এ সংস্থাটি স্থায়িত্ব লাভ করেনি। যুদ্ধের বিপদ থেকেও পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারেনি। ফলে ১৯৩৯ সালে ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এ যুদ্ধের ভয়াবহতা ছিল আগেরটির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। যুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৮ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে যুক্তরাষ্ট্রের ফেলা আনবিক বোমার আগুনে পুড়ে দুই লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আহত ও পঙ্গু হয় আরো কয়েক লাখ মানুষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপক ধ্বংসলীলা দেখে বিশ্ববাসী শঙ্কিত ও হতবাক হয়ে যায়। এ অবস্থায় যুদ্ধ চলাকালেই ১৯৪১ সালে বিশ্বনেতাদের কেউ কেউ একটি নতুন ও অধিকতর শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। যা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের সাথে অন্যান্য দেশের নেতাদের দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার ফলে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৪৮ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সভা, সেমিনার, পোস্টার, লিফলেট, আলোচনা, বির্তক, পুস্তক প্রদর্শন, চলচ্চিত্র-প্রদর্শন, সঙ্গীত, শিল্পমেলা, খাদ্যমেলা ইত্যাদির মাধ্যমে ২৪ অক্টোবর জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই দিবসে জাতিসঙ্ঘের সদর দফতর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত এর শাখা অফিস ও অঙ্গসংগঠনসমূহে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। জন ডি রকফেলার জাতিসঙ্ঘের সদর দফতরে ১৭ একর জমি দান করেন। জাতিসঙ্ঘের পতাকার রঙ হালকা নীল। মাঝখানে সাদার ভেতরে বিশ্বের বৃত্তাকার মানচিত্র এর দুপাশে দু’টি জলপাই পাতার ঝাড়। জলপাই পাতা শান্তির প্রতীক। ১৯৪৭ সালের ২০ অক্টোবর এই পতাকা নির্ধারিত হয়। জাতিসঙ্ঘের সরকারি ভাষা ইংরেজি, ফরাসি, চীনা, আরবি, রুশ এবং স্প্যানিস। এর উদ্দেশ্যগুলো হলোÑ ১. আন্তর্জাতিক শান্তি নিরাপত্তা রক্ষা করা; ২. সমানাধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধীকারের ভিত্তিতে বিভিন্ন জাতির মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা; ৩. আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; ৪. মানুষের সম-অধিকার, স্বাধীনতা প্রভৃতি মৌলিক অধিকার রক্ষা করা; ৫. আন্তর্জাতিক বিবাদ বিষয়াদিগুলোকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এবং আন্তর্জাতিক আইনুনাযায়ী মীমাংসা করা। জাতিসঙ্ঘের মূল সংস্থাগুলো হলোÑ ১. সাধারণ পরিষদ; ২. নিরাপত্তা পরিষদ; ৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ; ৪. সম্পাদকীয় দফতর; ৫. আন্তর্জাতিক আদালত ও ৬. অছি পরিষদ। শুরুতে ৫০টি দেশ নিয়ে জাতিসঙ্ঘ গঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে পোল্যান্ড উপস্থিত না থাকলেও তাকে প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য হিসেবে গণ্য করা হয়। অর্থাৎ সনদ কার্যকর হওয়ার আগেই পোল্যান্ড সনদে স্বাক্ষর করে ৫১তম সদস্য দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব হচ্ছেন এর প্রধান প্রশাসনিক কর্তা, পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসঙ্ঘের সাবেক উদ্বাস্তুবিষয়ক হাইকমিশনার অ্যান্তেনিও গুতেরেস বর্তমান মহাসচিব। নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশের সদস্যের ভোটে পাঁচ বছরের জন্য জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব নির্বাচিত হন। মহাসচিবকে তার কাজে সহায়তা করে ১২ জন অধঃস্তন সচিব এবং ১২ জনেরও অধিক সহকারী সচিব। মেয়াদ শেষে একজন মহাসচিব পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হতে পারেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ ১৩৬তম সদস্য দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন। ১৯৭৯-৮০ সালে বাংলাদেশ জাতিসঙ্ঘের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়। জাতিসঙ্ঘের চারজন মহাসচিব পাঁচবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। বাংলাদেশ সব সময় জাতিসঙ্ঘের বিশেষ নজরে থাকে। এ জাতির জন্য সবচেয়ে আনন্দদায়ক সংবাদ হলোÑ ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করায় বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সংখ্যাগত দিক থেকে আবারো শীর্ষ স্থানে অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশের সেনা ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা। আমাদের সেনারা রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব না করায় এ দেশের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বিশ্বে পরিচিতি ও ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা এবং আইভরি কোস্টে ‘বাংলাদেশ’ সড়ক নামে নামকরণ করা হয়েছে। আলোচনা, সমালোচনা যা-ই থাক, যুদ্ধ-সঙ্ঘাত, বিশ্বশান্তির প্রধান প্রতিবন্ধক। তাই বিশ্বের কোথাও যুদ্ধ বা সামরিক সঙ্ঘাত বাধলে জাতিসঙ্ঘ তা বন্ধ করার উদ্যোগ নেয়। সঙ্ঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো, বিশ্ব থেকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতা দূর করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ দূষণজনিত সমস্যা মোকাবেলা, জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধ, নারী ও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা বিভিন্ন কার্যক্রমে জাতিসঙ্ঘের রয়েছে অনন্য ও অসাধারণ অবদান। শান্তির জন্য জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা হলেও আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, কোরিয়া-আমেরিকা যুদ্ধ, ইরান-ইরাক যুদ্ধ, আমেরিকা-ভিয়েতনাম যুদ্ধ। ইরাক, আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় বিমান হামলার পাশাপাশি (বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধে প্রস্তুতি) তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। পৃথিবীর অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে পারমাণবিক বোমাসহ সব ধরনের যুদ্ধের অস্ত্রের সরঞ্জামাদি এবং সেনা বেশি রয়েছে। সিকিম, হংকং ও ক্রিমিয়া ইচ্ছা, অনিচ্ছা বা চুক্তির মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের অংশে পরিণত হয়েছে। জাতিসঙ্ঘ কর্তৃক পুরস্কার পেলে আমরা এখনো আনন্দে আপ্লুত হই। এবারে জাতিসঙ্ঘ অধিবেশন করোনা মহামারীর কারণে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো জাতিসঙ্ঘকে বন্ধু মনে করলেও ছোট ছোট স্বাধীন, সার্বভৌম, দুর্বল রাষ্ট্রগুলো জাতিসঙ্ঘের মুখের দিকে তাকিয়ে তাকে অভিভাবক হিসেবে মেনে নেয়। হ
লেখক : শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট