স্বাধীনতার স্বাদ পেত না অধীনতায় থেকে
কাটত জীবন পশ্চিমাদের হুজুর হুজুর ডেকে
নিজ ইচ্ছায় যায়নি চলা,
যায়নি ঘোরা কর্ম থেকে হাতের কাজটি রেখে।

মানুষ ছিল খেলার পুতুল, খেলত সুতো টেনে
ব্যাপারটি খুব নয় রে সহজ? কে নিতে চায় মেনে?
ক্রমে ক্রমে বাঙালিদের
দল ভারী হয় অত্যাচারের খবরগুলো জেনে।

কামার কুমার জেলে মুটের দুঃখ দেখার পরে
দরদি শেখ মুজিবের মন ব্যথায় ওঠে ভরে
প্রতিজ্ঞ হয় মুজিব তখন
অত্যাচারীর সঙ্গে যাবে জীবন-মরণ লড়ে।

গল্প তো না একদিন ঠিক রেসকোর্সের মাঠে
আসবে নেতা, তাইতো সবাই মাঠের পানে হাঁটে
মার্চের সাত একাত্তরে
সেদিনটিতে লাখ জনতার অপেক্ষাতে কাটে।

প্রতীক্ষা বাঁধ ভেঙে নেতা মঞ্চে এলেন উঠে
ভাষণ দিলেন নেতা সেদিন বিষয় খুঁটে খুঁটে
স্বাধিকার ও অধিকারের
কথাও শোনার ভাগ্য সেদিন জাতির ভাগ্যে জোটে।

সেই ভাষণে স্বাধীনতার কথাই প্রথম আসে
নিরীহ সব জনতা তাই রয় মাঠে উল্লাসে
যুদ্ধ করার ঘোষণা দেন
বলেন সবাই থাকে যেন এক অপরের পাশে।

সেদিন থেকে জনতা নয় বীর জনতা নামে
যুদ্ধ করে পাক বাহিনীর সাথে গঞ্জে গ্রামে
ন’মাস ধরে যুদ্ধ করেই
আনল স্বাধীন ত্রিশ লক্ষ প্রাণ হারানোর দামে।