ধূসর আলোয় আমি দেখছি তোমাকে
জননী জন্মভূমি রক্তস্নাত মা ও মাতৃভূমি।
ঘাতকের অশুভ পরাক্রমে জীবন্মৃত আজ
তোমার পবিত্র আত্মা, হৃদয়ের বসতভিটা।

তোমার অশ্রুজল নক্ষত্রের আলোয় দৃশ্যমান,
চার দিকে প্রফুল্ল ছায়ার মতোন ইতস্তত অজস্র,
কান্নার ধ্বনি এখনও শুনতে পাই
মুহূর্তে শিহরিত হয় ঘুমন্ত শিশুর আত্মা।

অগণিত হত্যাযজ্ঞ, ধ্বংসপ্রায় অবিনাশী
দৃশ্যপট বাংলার গৌরব ছদ্মবেশী দালাল,
মারমুখী হায়েনার দল, রক্তচক্ষু দুষ্কৃতি
কিভাবে হামলে পড়ে বিধ্বস্ত নগরের ’পর।

ধ্বংসচিহ্ন বুকে নিয়ে এখনও দাঁড়িয়ে সটান,
কলঙ্কের স্মৃতিচিহ্ন অবিনাশী শব্দের ঝঙ্কারে
কল্লোলিত, উচ্ছিষ্ট বুদবুদের মতো আজও ঘূর্ণায়মান।
বলিষ্ঠ স্পর্ধায় এখনও আসেনি সেই শিশু
যার পদাঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হবে ঘাতকের
যতো অহঙ্কার, অপমানে ধরাশায়ী হবে
অশুভ উত্থিত হাত, মুখ ও মস্তক।