বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই
কুঁড়েঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই।...
গ্রাম বাংলার চিরচেনা সেই কবিতা রজনীকান্ত সেনের ‘স্বাধীনতার সুখ’। আজকালকার নতুন প্রজন্মকে এই কবিতা আর এত বেশি টানে না। তাদের মনোজগৎ তথা চিন্তা চেতনার জায়গাটা আজকে প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়েছে।
বলছি ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল রোড বাজার রেলস্টেশন সংলগ্ন পূর্ব বারুইগ্রামের কথা। আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগেও এখানে বাবুই পাখির কিচিরমিচির কলরবে চারদিক মেতে থাকত। ছিল সারি সারি তালগাছ। গাছের পাতা জুড়ে ছিল অগণিত মনোমুগ্ধকর বাবুই পাখির বাসা।
বাসাতো নয়, যেন শিল্পীর হাতে গড়া এক একটি শিল্পকর্ম। আজকাল আর এমনটি দেখা যায় না।
বাবুই পাখির বাসা দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কেন?
কারণ, দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বনজঙ্গল উজাড় হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি কেটে ফেলা হচ্ছে পুরনো সেই তালগাছ। যার প্রভাব পড়ছে পাখিকুলের ওপর। বাবুই পাখি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পেছনে এটি একটি কারণ বলা যেতে পারে।
বাবুই আমাদের পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ। একে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।