অপরূপা বাংলাদেশ
কে এম শাহরিয়ার

বাংলাদেশের সোনার মাটি
হাজার ফসল ফলে
বাংলাদেশের আকাশ জুড়ে
লক্ষ তারা জ্বলে।

শ্যামল দেশের বিলের জলে
ফুটে শাপলা ফুল
বাগান ভরা গোলাপ বেলী
হাসে দোদুল দুল।

আমের বনে বোশেখ মাসে
কাঁচা আমের মেলা
দীঘির জলে অবাধ সাঁতার
তপ্ত দুপুর বেলা।

ঘাসে ছাওয়া সবুজ পথে
কৃষ্ণচূড়ার সারি
ডালে ডালে কোকিল ডাকে
শুনতে মজা ভারি।

ছোট্ট নদীর কোলে জলে
নীল আকাশের ছায়া
রাখাল বাজায় মেঠো সুরে
মেশায় গভীর মায়া।

নীড়ের টানে পাখা মেলে
শত রকম পাখি
সাঁঝের বেলায় আবির রঙে
আকাশ মাখামাখি।

 

পাখির ছবি আঁকছিল
জাকির শায়েরী

সন্ধ্যাবেলা নীল আকাশে
শত পাখির ঝাঁক ছিল
কি মনোরম দেখতে আহা
একটুখানি ফাঁক ছিল।

কিচিরমিচির মধুর সুরে
গাছের ডালে ডাকছিল
কবির যত মনের কথন
একটু সময় থাকছিল।

ডানা মেলে উড়ে যাওয়া
কিছু পাখি ঝুলছিল
সাথী হারা পাখিগুলোর
একা থাকা ভুলছিল।

দুষ্ট লোকে এমন সময়
কাছে গিয়ে হাঁক দিল
খোকা-খুকু মনের সুখে
পাখির ছবি আঁকছিল।

 

রবের ধ্যান
গোলাম আযম

দূর নীলিমায় তারার মেলা
মিটিমিটি জ্বলে,
রবের ধ্যানে রত তারা
চাঁদ সেতারা বলে।

পাখ পাখালি কুঞ্জবনে
রবের ধ্যানে রয়,
আল্লাহ মালিক আল্লাহ খালিক
তারা শুধু কয়।

কিচিরমিচির জিকির তুলে
মুখরিত মাঠ,
রোজ হাশরে মুক্তি পেতে
দরুদ করে পাঠ।

জল তরঙ্গের মাঝে সে সুর
শুনি তালে তালে,
অন্তরে তার নামটি রবে
মরণেরই কালে।

 

বাংলার রূপ
আহমাদ কাউসার

এই যে নদী উঁচু গিরি
সবুজ দুটি কূল
নানা রকম হাসি হেসে
ফুটে বুনোফুল।

এই যে গাঁয়ে গাছের ছায়ে
শান্তি অনাবিল
ঐ যে পুকুর মধ্যদুপুর
আলো ঝিলিমিল।

এই যে মাঠে বাটে বাটে
রাখাল বাঁশি সুর
আকাশ নীলে সবুজ মিলে
প্রণয় সুমধুর।

 

সৎ পথে থাকা চাই
মো: তাইফুর রহমান

কোন পথে আছো তুমি? বলো ওহে ভাই
চারদিকে দেখি আজ শান্তি যে নাই।
সত্য কে ধরে রাখো মিথ্যাকে বাদ
জীবনের পথে পাবে শান্তির স্বাদ।

সৎ কাজ করা চাই ভুবনের মাঝে
কেনো ভাই থাকবে যে খারাপের কাজে।
মিলেমিশে থাকা চাই এই কথা হোক
খারাপের ওই পথে আছে খুব শোক।

হিংসা ও বিদ্বেষ দূর হোক ভাই
বিধাতার হুকুম যে মানা আজ চাই।
হানাহানি ঝগড়া চাই নাতো আর
শত্রুর কাছে কেনো মানব যে হার?

ব্যবহার ভালো হোক হাসি চাই মুখে
অন্যায় যত আছে দাও সব রুখে।
চরিত্র আমাদের যদি হয় ভালো
মনে সদা থাকবে যে শান্তির আলো।