দু’টি পাখির ছড়া
সিদ্দিক আবু বকর

টিয়া
গহিন বনের টিয়া
সারা গায়ে সবুজ পালক
বনের সবুজ দিয়া।
নীল আকাশের টিয়া
আকাশ নীলে ঘুরে বেড়ায়
নীলের আদর নিয়া।
নীল-সবুজের টিয়া
নীল আকাশে উড়ে বেড়ায়
ঘুমায় বনে গিয়া।
সবুজ বরণ টিয়া
সবুজ বরণ হিয়া
চঞ্চু তাহার লাল
ঠোক্করে তার ঝাল।

 

টুনটুনি

খুব মনোহর
দারুণ খাসা
লাউ পাতাতে
বাঁধল বাসা
কে বলো তো কে?
টুন টুনা টুন
টুন টুনা টুন
টুনটুনিটা যে!
ছোট্টরাও পারে
শক্ত কিছু না রে
টুন টুনা টুন টুনটুনিতে
সবাই শিখে নে।

 


পাখি ডাকে
কবির আশরাফ

গাছের শাখে পাখি ডাকে
হাওয়ায় দোলে বন,
মনটা আমার ভ্রমর হয়ে
ঘোরে সারাক্ষণ।
সুয্যি মামা হাসি দিয়ে
পুবাকাশে ওঠে,
বাগানজুড়ে নাম না জানা
কতো না ফুল ফোটে।
প্রজাপতি রঙিন ডানায়
ঘোরে ফুলে ফুলে,
মন চলে যায় দূর অজানায়
আপন ভুবন ভুলে।

 


কাঠবিড়ালীর মতো
আলমগীর কবির

কোন গাছেতে ডাঁসা ডাঁসা
আম গিয়েছে পেকে,
মন ফেরানো যায় না পাকা
লিচুর থোকা দেখে!
মা আমাকে রোজ দিয়ে যান
নিষেধ বারণ কত,
কিন্তু আমি খোঁজ করে যাই
কাঠবিড়ালীর মতো-
কোন ডালিমে রঙ লেগেছে
চাই তা আমার জানা,
উড়ে উড়ে বেড়াই শুধু
মেলে মনের ডানা।
গাছতলাতে দৌড়ে ছুটি
উঠলে বাতাস জোরে,
কোন পেয়ারা পাকা কাঁঠাল
ঘ্রাণ ছড়ালো ভোরে?
মায়ের কাছে খবর দিতে
হয় না দেরি কোনো,
এটা ওটা খাবার লোভে
পিছু ঘুরে বোনও।

 


কাঠবিড়ালীর মতো
আলমগীর কবির

কোন গাছেতে ডাঁসা ডাঁসা
আম গিয়েছে পেকে,
মন ফেরানো যায় না পাকা
লিচুর থোকা দেখে!
মা আমাকে রোজ দিয়ে যান
নিষেধ বারণ কত,
কিন্তু আমি খোঁজ করে যাই
কাঠবিড়ালীর মতো-
কোন ডালিমে রঙ লেগেছে
চাই তা আমার জানা,
উড়ে উড়ে বেড়াই শুধু
মেলে মনের ডানা।
গাছতলাতে দৌড়ে ছুটি
উঠলে বাতাস জোরে,
কোন পেয়ারা পাকা কাঁঠাল
ঘ্রাণ ছড়ালো ভোরে?
মায়ের কাছে খবর দিতে
হয় না দেরি কোনো,
এটা ওটা খাবার লোভে
পিছু ঘুরে বোনও।