তারুণ্যের উন্মাদনায়
মাউন্টএভারেস্ট দু’পায়ে মারিয়ে
আকাশের গায়ে আলতো করে হাত বুলিয়ে দেই
সময়ের ঘোরপ্যাঁচে আকাশ ভেঙে পড়ে মাথার উপর
মেঘের পেটে জমে থাকা বজ্রপাত
চূর্ণ-বিচূর্ণ করে কামার্ত শরীর
বিদুৎ গতিতে আটলান্টিক মহাসাগর হতে উড়ে আসে
মাংসখেকো এক ঝাঁক পাখি
ঠিক মাথার উপর চক্রাকারে ঘুরতে ঘুরতে
বোমারু বিমানের মতো লক্ষ্য স্থীর করে ফেলতে থাকে
টুকরো টুকরো গলিত মাংসপিণ্ড
অবাক নির্বাক আমি
কি করে বুঝাই বয়সের ভারে ন্যুব্জ হলেও আমিও মানুষ
কাক ডাকা ভোর অতিক্রম হতে না হতেই
জানালার খিড়কি ভেদ করে
চোখের পাপড়িতে খেলা করে
এক চিলতে আলো
সূর্যের কিরণ আর আঁধারের লুকোচুরিতে
ঘুমাতে পারি না আমি
যৌবনে আকাশ ছুঁয়েছি বলে
মধ্য বয়সে একাকিত্ব কুঁড়ে কুঁড়ে খায়
আমার আমিত্ব
সহায়সম্বলহীন নিরুপায় মানুষ
ঘুম হীনচিত্তে রাতের সাথেই জমে উঠে গলাগলি ভাব
বয়স মানে না বাঁধ ভাঙা মন
কখনো কখনো হয়ে উঠে খেপাটে বাউল
ঠিক তখন রাতের শরীরে বেদনার ক্যানভাস আঁকতে বসি
কথা শোনে না অবাধ্য হাতের আঙুল
কথা শোনে না রঙতুলি
কথা শোনে না মাল্টি কালার কালচার
মন আর মস্তিষ্কের মিথস্ক্রিয়ায় অঙ্কন করি
একাকিত্বের চালচিত্র।
