আহমদ খুব গাছ ভালোবাসে। গাছ-গাছালি নিয়ে খুবই ভাবে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া সে কখনো গাছের পাতা ছিঁড়ে না। যদি কেউ কোনো গাছের পাতা প্রয়োজন ছাড়া টেনে ছিঁড়ে ফেলে, তখন আহমদের মনে হয়, সে যেন তার মাথার চুল ধরে টেনে ছিঁড়ে ফেলল।
এক দিন আহমদ তার বন্ধু আফজালকে গাছের পাতা প্রয়োজন ছাড়াই ছিঁড়তে দেখে বললÑ
: এই আফজাল! এই কী করলি? যদি তোর মাথার চুল ধরে টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলি, তাহলে কি তুই ব্যথা পাবি না?
আহমদের মুখের দিকে তাকিয়ে সে বললÑ
: হ্যাঁ, ব্যথা পাবো তো।
আহমদ তার দিকে না তাকিয়ে গাছের দিকে তাকিয়ে নিঃশ্বাস ছেড়ে বললÑ
: আরে! ঠিক তেমনি গাছটিও ব্যথা পাবে।
তার পাশে দাঁড়ানো অপর বন্ধু হাবিব হেসে বললÑ
: গাছের আবার জীবন আছে নাকি ব্যথা পাবে?
আহমদ একটু বিস্মিত হয়ে বললÑ
: আরে হাবিব! মুন্সীগঞ্জের সন্তান হয়ে এটাই জানিস না, গাছের জীবন আছে কি না?
গাছের যে, জীবন আছে তা পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণ করেছেন আমাদের মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানার স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু।
: তাহলে কি কেউ গাছ কাটত না, আগুনেও পোড়াইত না?
: হ্যাঁ, প্রয়োজনে সব কিছু করা যায়।
আল্লাহ যা সৃষ্টি করছেন, মানুষের জন্যেই তো সৃষ্টি করছেন। তবে গাছপালা না কাটাই ভালো।
বর্তমানে যে ঝড়-তুফান হয়, গাছপালা না থাকলে আমরা এখন যা ক্ষতিগ্রস্ত হই, তার চেয়ে হাজার গুণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। তোরা একটু ভেবে দেখ।
আফজাল বললÑ
হ্যাঁ রে, তুই ঠিক বলছিস।
হাবিব বললÑ
: চল, বাজারে যাই। গাছের চারা যদি পাই
কিনে আনব।
অবশেষে, তারা বাজারের দিকে এলো।
গাছের চারা বাজারে না পেয়ে নার্সারি যেখানে, সেখানে চলে এলো। নার্সারি থেকে বিভিন্ন ফলের চারাসহ অন্যান্য চারা কিনে বাড়িতে চলে এসে, তারা তাদের বাড়ির আঙিনার চার দিকে লাগিয়ে দিলো। হ
আহমদ খুব গাছ ভালোবাসে। গাছ-গাছালি নিয়ে খুবই ভাবে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া সে কখনো গাছের পাতা ছিঁড়ে না। যদি কেউ কোনো গাছের পাতা প্রয়োজন ছাড়া টেনে...
