পাখি
সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী

উড়ছে পাখি আকাশ নীলে
উড়ছে মেলে ডানা,
স্বাধীনভাবে উড়ছে পাখি
উড়তে তো নেই মানা।
মনটা খুলে মনটা সুখে
উড়ছে পাখি ঠিক,
রোদের আলো ইলিক ঝিলিক
সবুজ ঝিকিমিক।
পাখির বাসা গাছের ডালে
অথই সুখে থাকে,
রঙিন দিনে পাখির কী যে
রঙিন স্বপ্ন আঁকে।
পাখির ছানা কিচিরমিচির
কতই সুখে রয়,
নির্ভয়ে যায় পাখির সময়
ভয়টা করে জয়।
এমনি করে বসত করে
রঙিন পাখি বেশ,
সবুজ ডালে পাখি সুখে
আনন্দ হয় বেশ।

 

 


খেলব মাঠে বল
মাহবুব-এ-খোদা

বিকেল হলো চলরে চল,
করিস না কেউ কোনো ছল!
খেলব আজকে মাঠে বল,
দেখিয়ে দেবো গায়ের বল।

রান্টু পিন্টু খেলবে আজ,
দুপুর থেকে নিচ্ছে সাজ।
সেরে নে সব বাড়ির কাজ,
শান্তি খুঁজব খেলার মাঝ।

খেললে ভালো পাবি মান,
সুস্থ রবে দেহ প্রাণ।
আসবে ঘরে সুখের দিন,
থাকবে না আর একটু ঋণ।

এসে গেছে খেলতে দল,
যাচ্ছে শোনা কোলাহল।
ট্রফি জিতে মাতবো সব,
করবে রহম মহান রব।

কাঁপছে ভীষণ ভয়ে গা,
কাঁপছে হাঁটু কাঁপছে পা।
খেলায় থাকবে হার ও জিত,
ভাবছি কেন বিপরীত?

 

 


বয়ে যায় নদীর জল
রাজীব হাসান

আঁকাবাঁকা বইছে নদী
বুকে নিয়ে জল
কেমন করে পাবে খুঁজে
সেই নদীটির তল।
কানায় কানায় পূর্ণ জলে
শব্দ ছলাৎ ছল।
আপন মনে যায় বয়ে যায়
নদীর ঘোলা জল।

 

 

ঘর ছেড়ে আজ
আলমগীর কবির

ঘর ছেড়ে আজ পা বাড়িয়ে
বাইরে এসে দাঁড়ালাম,
বাইরে আলোর মিছিল দেখে
মন পাখিকে হারালাম।

শিশির তখন ধুয়ে দিলো
দস্যি ছেলের পা দু’টি,
চারি দিকে আলোর মেলা
কোথাও দেখি না ত্রুটি।

রঙ মেখে গায় ফুলের কলি
সুবাস ছড়ায় হাসিতে,
দোয়েল তখন মন কেড়ে নেয়
মিষ্টি সুরের বাঁশিতে।

টুপটুপা টুপ বকুল ঝরে
মন উদাস হয় মিছা না,
ঘাসের বুকে কে পেতেছে
সাদা ফুলের বিছানা।

ধীরে ধীরে যাই এগিয়ে
আমায় দেখে পাখিরা,
কেউ হতে যায় বন্ধু এবং
নাচতে থাকে বাকিরা।

মন আনন্দে যায় ভরে যায়
বসলে গাছের ছায়াতে,
ঘাসফুলেরা মুগ্ধ করে
অচেনা কোন মায়াতে!

 

 


খুকির হাসি
সাহেব মাহমুদ

পুকুর জলে মাছের নাচন
ঘাসে সবুজ রঙ,
ফড়িং বসে কলমিলতায়
ব্যাঙে করে ঢং।

মাছরাঙাটা মাছের আশায়
মারছে জলে ছোঁ,
টেংরা-মাগুর, চালাক অতি
দৌড়ে পালায় ভোঁ।

বকের ছানা দিয়ে হানা
ধরছে খোলসে-পুঁটি,
এসব দেখে খুকির মুখে
হাসি কুটিকুটি।