ছড়া থাকে
বেণীমাধব সরকার
ছড়া থাকে হাসিমাখা সকলের ওষ্ঠে
ছড়া থাকে খোলা মাঠে রাখালের গোষ্ঠে।
ছড়া থাকে সকালের পাখিদের মুখেতে
ছড়া থাকে ছোট-বড় শিশুদের বুকেতে।
ছড়া থাকে গুণ গুণ ভ্রমরের পাখাতে
ছড়া থাকে শিল্পীর শত ছবি আঁকাতে।
ছড়া থাকে গাঙ্গের রুনু ঝুনু চলাতে
ছড়া থাকে মধুমাখা সুবচন বলাতে।
ছড়া থাকে চঞ্চল বালিকার নূপুরে
ছড়া থাকে বটছায়ে গ্রীষ্মের দুপুরে।
ছড়া থাকে তটিনীর হিল্লোল ছন্দে
ছড়া থাকে কুসুমের সুবাসিত গন্ধে।
ছড়া থাকে ঝর ঝর বর্ষার বাদলে
সাদা কালো মেঘেদের ডম্বরু মাদলে।
ছড়া থাকে কবিদের লেখনীর ভাষাতে
সাহিত্যামোদী বাঁচে তাই তার আশাতে।
বিজয় আছে
ফারজানা ইয়াসমিন
বিজয় আছে পাখির গানে
ফুল পাতার ডালে ডালে।
শিশির ঝরা শিউলি ফুলে
হাসি মাখা শিশুর গালে।
বিজয় আছে সবার প্রাণে
উৎসব ও উল্লাসে মেতে।
কৃষকের ফসলের মাঠে
কোকিল ডাকা বসন্তের গানে।
বিজয় আছে লাল আর সবুজের
পতাকার উড়ু উড়ু মনে।
পদ্ম পুকুরে ঢেউয়ের তালে,
হলদে সর্ষের মন মাতানো ক্ষণে।
নতুন বছর আসুক
মুস্তাফা ইসলাহী
নতুন বছর আসুক
দুঃখ-ব্যথা ফাঁসুক
হিংসা, ঘৃণা, মনের কালি
মুছে সবাই হাসুক।
নতুন বছর আসুক
বিপদ-কষ্ট নাশুক
ঝগড়া বিবাদ ছেড়ে মানুষ
সুখ আনন্দে ভাসুক।
নতুন বছর আসুক
উড়–ক ময়না বা শুক
পাখপাখালি নীলাকাশে
নেচে গেয়ে কাশুক।
নতুন বছর আসুক
সবাই ভালো বাসুক
সবার কাজে হাত বাড়িয়ে
হতে পারি মাশুক।
শীত শীতলের দিন
এম এ জিন্নাহ
শীত সকালে শীতল গাঁয়ে
ব্যাকুল করা গানে;
মনটা কারো থির থাকে না
যায় ছুটে দূর পানে।
শিশির ভেজা ফুল মালারা
আকুল করে ডাকে;
ফুল বালিকা যায় দৌড়ে যায়
সজীব পথের বাঁকে।
শীত মোড়ানো শীতের বুড়ি
থাকুক না হয় হেসে;
আলোক করা তৃপ্তি দিলো
শীতের বুড়ি এসে।
রূপ ছড়ানো সুখ ছড়ানো
শীত ঋতুর এই সাজে;
অনেক রকম আনন্দ রয়
সব মানুষের মাঝে।
দাদু কেন বৃদ্ধাশ্রমে
হাজেরা ইয়াসমিন
দাদু কেন বৃদ্ধাশ্রমে? আমার সাথে থাকে না
ছেড়ে গেল আমাকেই, খোঁজ কেন রাখে না!
নিষ্ঠুর দাদুটা যে! কেনো ফিরে আসে না
বুকে নিয়ে এ আমাকে কেনো ভালোবাসে না!
জিজ্ঞাসে মা বাবাকে, বৃদ্ধাশ্রম মানে?
কী সুখ সেই খানে যা দাদুকে টানে!
তোমরাও বুড়ো হলে যাবে সেই খানে
তোমরাও একা হবে! বলি কানে কানে।
কথা শুনে বাবা মার কেঁপে ওঠে বুক!
দুমড়ে মুচড়ে উঠে বাড়ে মনে দুখ।
সহসা টনক নড়ে ফিরে এলো হুঁশ-
ভাবে ছি ছি আমরা এ কেমন মানুষ!
জলদি গিয়ে তাই মাকে নিয়ে আসে,
মা আহা মন খুলে তবু ভালোবাসে!
অশ্রু আড়াল করে দাদু আর সবাই,
শিশুর কাছে যেন হয়ে যায় জবাই।
সেই থেকে সকলেই থাকে মিলেমিশে,
শিশুটির শিক্ষায় ফিরে পেল দিশে।
এই শীতে
জাকির শায়েরী
পথশিশুরা কাঁপছে শীতে
একটি গরম বস্ত্র চায়
শীতের হাওয়া পেটে ক্ষুধা
কাঁদে শতো শিশু হায়।
ওদের মুখের একটু হাসি
সস্তা দামে কিনতে যায়
একটি গরম পোশাক যেন
বেঁচে থাকার পরশ পায়।
সবাই মিলে আমরা যদি
ওদের জন্য হাত বাড়াই
এই শীতে ভাই ফুটবে হাসি
দেখবে কারো দুঃখ নাই।
শীত
জান্নাত মিমি
মাঠে মাঠে হলুদ মেলা
সরষে ফুলের সাজ
মৌমাছিরা ব্যস্ত এখন
ওদের অনেক কাজ।
ফুলে ফুলে উড়ে উড়ে
ফুলের মধু খাবে
পেটে করে মধু নিয়ে
মৌচাকেতে যাবে।
শিশির জমা সরষে ফুলে
শীতের সকাল বেলা
সূর্য মামা উঠলে জেগে
মিষ্টি রোদের খেলা।
ভেজা গাছের ডালে ডালে
শীতে কাঁপে পাখি
শীতের সকাল মানে হলো
পিঠায় মাখামাখি।
ছড়া থাকে হাসিমাখা সকলের ওষ্ঠে
ছড়া থাকে খোলা মাঠে রাখালের গোষ্ঠে।
ছড়া থাকে সকালের পাখিদের মুখেতে
ছড়া থাকে ছোট-বড় শিশুদের বুকেতে।
ছড়া থাকে গুণ গুণ ভ্রমরের পাখাতে
ছড়া থাকে শিল্পীর শত ছবি আঁকাতে।
ছড়া থাকে গাঙ্গের রুনু ঝুনু চলাতে
ছড়া থাকে মধুমাখা সুবচন বলাতে।
ছড়া থাকে চঞ্চল বালিকার নূপুরে
ছড়া থাকে বটছায়ে গ্রীষ্মের দুপুরে।
ছড়া থাকে তটিনীর হিল্লোল ছন্দে
ছড়া থাকে কুসুমের সুবাসিত গন্ধে।
ছড়া থাকে ঝর ঝর বর্ষার বাদলে
সাদা কালো মেঘেদের ডম্বরু মাদলে।
ছড়া থাকে কবিদের লেখনীর ভাষাতে
সাহিত্যামোদী বাঁচে তাই তার আশাতে।
বিজয় আছে
ফারজানা ইয়াসমিন
বিজয় আছে পাখির গানে
ফুল পাতার ডালে ডালে।
শিশির ঝরা শিউলি ফুলে
হাসি মাখা শিশুর গালে।
বিজয় আছে সবার প্রাণে
উৎসব ও উল্লাসে মেতে।
কৃষকের ফসলের মাঠে
কোকিল ডাকা বসন্তের গানে।
বিজয় আছে লাল আর সবুজের
পতাকার উড়ু উড়ু মনে।
পদ্ম পুকুরে ঢেউয়ের তালে,
হলদে সর্ষের মন মাতানো ক্ষণে।
নতুন বছর আসুক
মুস্তাফা ইসলাহী
নতুন বছর আসুক
দুঃখ-ব্যথা ফাঁসুক
হিংসা, ঘৃণা, মনের কালি
মুছে সবাই হাসুক।
নতুন বছর আসুক
বিপদ-কষ্ট নাশুক
ঝগড়া বিবাদ ছেড়ে মানুষ
সুখ আনন্দে ভাসুক।
নতুন বছর আসুক
উড়–ক ময়না বা শুক
পাখপাখালি নীলাকাশে
নেচে গেয়ে কাশুক।
নতুন বছর আসুক
সবাই ভালো বাসুক
সবার কাজে হাত বাড়িয়ে
হতে পারি মাশুক।
শীত শীতলের দিন
এম এ জিন্নাহ
শীত সকালে শীতল গাঁয়ে
ব্যাকুল করা গানে;
মনটা কারো থির থাকে না
যায় ছুটে দূর পানে।
শিশির ভেজা ফুল মালারা
আকুল করে ডাকে;
ফুল বালিকা যায় দৌড়ে যায়
সজীব পথের বাঁকে।
শীত মোড়ানো শীতের বুড়ি
থাকুক না হয় হেসে;
আলোক করা তৃপ্তি দিলো
শীতের বুড়ি এসে।
রূপ ছড়ানো সুখ ছড়ানো
শীত ঋতুর এই সাজে;
অনেক রকম আনন্দ রয়
সব মানুষের মাঝে।
দাদু কেন বৃদ্ধাশ্রমে
হাজেরা ইয়াসমিন
দাদু কেন বৃদ্ধাশ্রমে? আমার সাথে থাকে না
ছেড়ে গেল আমাকেই, খোঁজ কেন রাখে না!
নিষ্ঠুর দাদুটা যে! কেনো ফিরে আসে না
বুকে নিয়ে এ আমাকে কেনো ভালোবাসে না!
জিজ্ঞাসে মা বাবাকে, বৃদ্ধাশ্রম মানে?
কী সুখ সেই খানে যা দাদুকে টানে!
তোমরাও বুড়ো হলে যাবে সেই খানে
তোমরাও একা হবে! বলি কানে কানে।
কথা শুনে বাবা মার কেঁপে ওঠে বুক!
দুমড়ে মুচড়ে উঠে বাড়ে মনে দুখ।
সহসা টনক নড়ে ফিরে এলো হুঁশ-
ভাবে ছি ছি আমরা এ কেমন মানুষ!
জলদি গিয়ে তাই মাকে নিয়ে আসে,
মা আহা মন খুলে তবু ভালোবাসে!
অশ্রু আড়াল করে দাদু আর সবাই,
শিশুর কাছে যেন হয়ে যায় জবাই।
সেই থেকে সকলেই থাকে মিলেমিশে,
শিশুটির শিক্ষায় ফিরে পেল দিশে।
এই শীতে
জাকির শায়েরী
পথশিশুরা কাঁপছে শীতে
একটি গরম বস্ত্র চায়
শীতের হাওয়া পেটে ক্ষুধা
কাঁদে শতো শিশু হায়।
ওদের মুখের একটু হাসি
সস্তা দামে কিনতে যায়
একটি গরম পোশাক যেন
বেঁচে থাকার পরশ পায়।
সবাই মিলে আমরা যদি
ওদের জন্য হাত বাড়াই
এই শীতে ভাই ফুটবে হাসি
দেখবে কারো দুঃখ নাই।
শীত
জান্নাত মিমি
মাঠে মাঠে হলুদ মেলা
সরষে ফুলের সাজ
মৌমাছিরা ব্যস্ত এখন
ওদের অনেক কাজ।
ফুলে ফুলে উড়ে উড়ে
ফুলের মধু খাবে
পেটে করে মধু নিয়ে
মৌচাকেতে যাবে।
শিশির জমা সরষে ফুলে
শীতের সকাল বেলা
সূর্য মামা উঠলে জেগে
মিষ্টি রোদের খেলা।
ভেজা গাছের ডালে ডালে
শীতে কাঁপে পাখি
শীতের সকাল মানে হলো
পিঠায় মাখামাখি।
