ফাগুন এলে
রাসেল খান
ফাগুন এলে পাখনা মেলে
মন যে উড়ে
শহর হতে গাঁয়ের পথে
কিংবা দূরে।
যায় হারিয়ে কূল ছাড়িয়ে
পাখির গানে
ছবি আঁকে হৃদয় বাঁকে
তুলির টানে।
ফুলের ঘ্রাণে প্রাণে প্রাণে
গল্প বলে
যেথায় নদী নিরবধি
বয়ে চেলে।
রবির আলো লাগে ভালো
সকাল বেলা
লুটোপুটি মুঠোমুঠি
রোদের খেলা।
হাওয়ায় ভেসে কল্পদেশে
খুলে যে দূর
পাগল এ মন সারাক্ষণ
স্বপ্নে বিভোর।
অমর বাংলা ভাষা
মোস্তাফিজুর রহমান
বর্ণমালায় ‘ম’ আছে তাই
লিখতে পারি মা
মায়ের অপার ভালোবাসা
কতই মধুর না!
বর্ণমালায় ‘ব’ আছে তাই
লিখতে পারি বাবা
বাবার অশেষ ভালোবাসা
বলো কোথায় পাবা?
বর্ণমালায় ‘প’ আছে তাই
লিখতে পারি পাখি
মন শুধু চায় সারাটি দিন
পাখির সাথেই থাকি।
বর্ণমালায় ‘গ’ আছে তাই
গাইতে পারি গান
যে গান শুনে তোমার আমার
জুড়ায় তপ্ত প্রাণ ।
বর্ণমালার বর্ণগুলো-ই
আমার ভালোবাসা
বর্ণ সাজাই কথামালার
অমর বাংলা ভাষা ।
বই
আজমাইন নিজাম
বইয়ের মাঝে আছে জ্ঞানের মূল
মেধা আর মননের বিকশিত ফুল
ইতিহাস সভ্যতা গড়ে দেয় বই
যে পড়ে সে বড় হবে নিশ্চয়ই।
বইয়ের সাথে হলে সখ্যতা ভাব
হৃদয় উদার হবে বিনয়ী স্বভাব
ভালোবাসা ভেঙে দেবে বিবেকের ভুল
পৃথিবীটা মনে হবে পাড়ার স্কুল।
বইয়ের চেয়ে বড় উপহার নাই
এসো তাই বইকেই বন্ধু বানাই
সুন্দর আগামীটা দিতে পারে বই
বই নিয়ে আরো বেশি হোক হইচই।
চলো মক্তবে যাই
গোলাম আজম খান
দল বেঁধে সব কচিকাঁচা
মক্তবে যায় ছুটে,
কুসুমবাগে জুঁই চামেলি
পাপড়ি হয়ে ফোটে।
বর্ণমালার হরফগুলো
মনে গেঁথে নেয়,
সৌভাগ্যবান বান্দা সে হয়
মক্তবে যায় যেই!
দ্বীন ইসলামের খুঁটিনাটি
বক্ষে করে ধারণ,
ছোটখাটো ভুল ত্রুটিকে
দেখলে করে বারণ!
ফুল বাগানের মেহমান হয়
কচিকাঁচা ফুল,
রোজ প্রভাতে কিচিরমিচির
করে হুলস্থূল!
