খেলনা
মুস্তাফা ইসলাহী

আমি শিশু নই তো কোনো ফেল না!
বিশে^ আমি সবচে দামি খেল না।
থাকবো স্বাধীন, ঘরে বন্দী জেল না
মুড়ির সাথে মধু মাখি তেল না।
ডালিম, আতা, কাঁঠাল, খাবো বেল না
বাহন নৌকা, গরুর গাড়ি রেল না।
গুবাক খোলের চাই গাড়ি সাইকেল না।
দেশি গানে রই ডুবে মাইকেল না।

 

দিনে দিনে মহাবিশ্ব
সরকার হুমায়ুন

দিনে দিনে মহাবিশ্ব যাচ্ছে কেবল বেড়ে
মস্ত একটি বেলুন যেনো দেখব এবার ফেঁড়ে
ফুলে ফেঁপে মহাজগৎ হচ্ছে সম্প্রসারণ
এখনো তা হয়নি জানা কেনো তাহার কারণ
প্রসারণের এই যে নিয়ম আছে কুরআনে
সত্য প্রমাণ জোতির্বিজ্ঞানী হাবল চোখে আনে
চৌদ্দ শত বছর আগে মহানবীর মুখে
মহাবিশ্বের এমন খবর ভাবেনি কেউ দুঃখে
সত্য নবী জ্ঞানী গুণী সত্য তাহার বাণী
পাতাল ফুঁড়ে উঠবে জেগে আমরা তাহা মানি।

 

মাছরাঙা পাখি
ফারুক আহম্মেদ জীবন

মাছরাঙারা থাকে ডাঙা
পুষ্করিণীর পাড়ে,
থাকে খাল-বিল নদী-নালা
বৃক্ষেরও ঝোপঝাড়ে।

বৃক্ষ শাখের ডগায় বসে
চেয়ে থাকে আড়ে,
জলের মধ্যে কখন একটা
মৎস্য আগ বাড়ে?

মাঝে মধ্যে চিত চিরিং চিং
চিরিত চিরিত ডাকে,
এদিক ওদিক নজর রেখে
লেজটা উঁচুই রাখে।

জলের ওপর ভাসলে মৎস্য
অমনি যায় সে ছুটে,
ছোঁ-মেরে সে মাছটি ধরে
ক্লান্তি যায় সব টুটে।

ঠোঁটের ফাঁকে ঝেইয়া পুঁটি
টেংরা, মায়া, ধরে,
আপন মনে শাখায় বসে
খায় সে মজা করে।


ঘুঘুর বাসা
শামীম খান যুবরাজ

শিমের ঝোপে ঘুঘুর বাসা
ডিম পেড়েছে তিন,
বাচ্চা হলো ফুটফুটে সব
এই যে গত দিন।

মা ঘুঘুটা যায় না দূরে
আশে পাশেই থাকে,
যায় না এখন পাশের বনে
কিংবা নদীর বাঁকে।

বাচ্চাগুলোর জন্য ঘুঘুর
সাচ্চা মনের টান,
দুচোখ ভরে দেখে দেখে
নেয় জুড়িয়ে প্রাণ।

 

পাখপাখালির দেশ
সাগর আহমেদ

চন্দনাটা শিস দিয়ে যায়
ফিঙে নাচে গাছে,
কাকাতুয়া কথার মজায়
ব্যস্ত এখন আছে।

শালিক হাঁটে ধানের মাঠে
তিড়িংবিড়িং নাচে ,
বাবুই পাখি বুনতে বাসা
ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজে।

পায়রা ওড়ে নীল আকাশে
দল বেঁধে একসাথে,
পেঁচা হঠাৎ ডেকে ওঠে
ঝুম আঁধারের রাতে।

বুলবুলিটার গানের সুরে
জাগে ভোরের রবি,
হরেক পাখির কিচিরমিচির
বাংলাদেশের ছবি।

 


গর্জে উঠো
কাজল নিশি

ফিলিস্তিনি পণ করেছে
গাইবে জয়োগান
স্বাধীন তোমরা হবেই হবে
খোদা মেহেরবান।

বিশ্ব মুসলিম জেগে উঠো
চুপ থাকার নয় দিন
পৃথিবীর মানচিত্রে দেখবো
স্বাধীন ফিলিস্তিন।

দুষ্টের দলে যখন তখন
মারছে পুরুষ নারী
পিতা-মাতা হারা শিশুর
কী যে আহাজারি!

ইচ্ছে হলেই মানুষ মারে
ওরা দুষ্ট বেশ
গর্জে উঠো বিশ্ব মুসলিম
ওদের করতে শেষ।

 


সকালবেলা
সাজু কবীর

সকালবেলা আলোর মেলা
পায়রা ধরে গান,
উড়ে যাওয়া হাওয়ার ডানায়
ওঠে মধুর বান।

বানের টানে প্রজাপতির
পাখনা ছিটায় রঙ,
নানান ঢঙ্গে বুলবুলিটা
আজ সেজেছে সঙ।

টঙ্গের ওপর মত্ত নাচে
দোয়েল কোয়েল টিয়ে,
খোকন সোনা খাবে লুচি
হচ্ছে ভাজা ঘিয়ে।

 

প্রভাত বেলা
মো: তাইফুর রহমান

প্রভাত বেলা ভালো লাগে
ফুলকলিরা হাসে
মনকাড়া এ রূপের মেলা
সবাই ভালোবাসে ।
সোনালি ওই সূর্যটা যে
দেয় ছড়িয়ে আলো
কৃষক ছুটে মাঠের পানে
হাসিটা তার ভালো।
শান্ত হাওয়ার পরশ পেয়ে
মনটা সুখে ভরে
ওই শোনা যায় মক্তবেতে
শিশুরা যে পড়ে ।
শুভ্র আকাশ দেখতে ভালো
কেমনে ঘরে থাকি?
গাছে গাছে কিচিরমিচির
ডাকে কত পাখি ।
প্রভাত বেলায় চেয়ে দেখি
প্রজাপতি নাচে
ইচ্ছে করে যাই ছুটে ভাই
ফড়িং ছানার কাছে ।