‘ইয়েস ইউ ক্যান।’ একজন ছাত্র একজন নাগরিক, একজন দেশপ্রেমিক, মা-বাবার সুসন্তান, দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর এবং দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধর। দেশকে সকল প্রকার দুর্নীতি, অন্যায় অত্যাচার, অবিচার, জুলুম নিপীড়নের হাত থেকে রক্ষা করে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করা তার নৈতিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী যুগে যুগে গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছে, শহীদ হয়েছে। এ দেশে ছাত্রসমাজের প্রত্যেকটা আন্দোলন সফল হয়েছে, সার্থক হয়েছে। বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন ও সুন্দর দেশ। অন্য দিকে অসংখ্য মায়ের কোল খালি হয়েছে, আকাশ-বাতাস ভারী হয়েছে স্বজনদের আহাজারিতে। দেশ স্বাধীন হয়েছে বারবার কিন্তু এই শহীদদের রক্তের মূল্য আমরা দিতে শিখিনি। চরিত্রের পরিবর্তন আমাদের এখনও হয়নি বলেই আমরা নিজেদের দায়িত্বটুকু সততার সাথে পালন করতে ব্যর্থ হচ্ছি । যার ফলে এ দেশ দুর্নীতিতে বারবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়েছে, নিজের মৌলিক অধিকারটুকু থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে যুগযুগ ধরে। আর কয়েক বছর পরপর আমাদের নিষ্পাপ ছেলেমেয়েগুলো পড়ালেখা ছেড়ে রাস্তায় নামছে, শহীদ হচ্ছে, পঙ্গুত্ববরণ করছে। অন্য দিকে যোগ্যতার দোহাই দিয়ে আমার দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের বেকার রেখে ভিন দেশের কর্মী আনা হচ্ছে। ফলে আমাদের কোটি সন্তানের রক্ত পানি করা উপার্জিত রেমিট্যান্স মাত্র কয়েক লক্ষ এক্সপার্ট নামধারী ভিন দেশের বন্ধুরা নিয়ে যাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশ পাচার হচ্ছে, পাশাপাশি প্রায় সমপরিমাণ টাকা বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে উন্নয়নের তসবিহ জোপে দেশকে পঙ্গু করা হয়েছে। এসব কিছুর মূলে রয়েছে আমাদের দায়িত্বশীল কর্তাদের সততার অভাব। এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। এ দেশের মানুষকে আর যেন কখনো সাম্য, আইনের শাসন, দুর্নীতি, কর্মসংস্থান, সর্বোপরি ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত না হতে হয়, এজন্য ছাত্রসমাজকে দুই প্রকারের কাজে মনোযোগ দিতে হবে। নিজকে গঠন এবং দেশকে গঠন। প্রথমত, নিজেকে সৎ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখা দরকার যোগ্যতা না থাকলে সততা দিয়ে দেশের খুব একটা উপকার করা যায় না। আর সততাবিহীন যোগ্যতা দ্বারা নিজের উন্নতি যতই হোক না কেন দেশের উন্নতি করা যায় না। ছাত্রছাত্রীদের মনে রাখতে হবে ছাত্রসমাজ ঠিক থাকলে এ দেশের সব কিছু ঠিক থাকবে। কারণ বর্তমান ছাত্রছাত্রীরাই আগামী কমপক্ষে পঞ্চাশ বছর দেশের নেতৃত্ব দেবে ইনশা আল্লাহ।
দ্বিতীয়ত, দেশের জন্য করণীয় ইতোমধ্যে ছাত্রসমাজ দেশে বৈষম্য নিরসন এবং উন্নয়নে যে কাজগুলো করে চোখে আঙুল দিয়ে সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে যে, ‘আমরা ও পারি’ সে কাজগুলো অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি যে জায়গাগুলোতে দেশের সাধারণ মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় এবং জন দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় সেই জায়গাগুলোতে স্বেচ্ছায় শ্রম দিতে হবে, যেমন-

১. ট্রাফিক কন্ট্রোল
২. রাস্তা পরিষ্কার
৩. ক্যানেল পরিষ্কার
৪. জলাবদ্ধবতা নিরসন
৫. সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিকগুলোতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করা, রোগীর ভাউচার লেখা, ডাক্তারের কাছে পৌঁছে দেয়া, ভর্তি করতে সহযোগিতা করা এবং ভর্তি রোগীর সেবা করা ইত্যদি।
৬. থানা, জর্জ কোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে আসামিদের কেস/সাধারণ ডায়েরি লিখতে সহযোগিতা করা, উকিলের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়া এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান।
৭. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা ।
৮. বিভিন্ন সরকারি অফিস যেমন- ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, ভূমি অফিস, সাবরেজিস্ট্রারের অফিস, নির্বাচন অফিস, ডিসি অফিস, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সেক্রেটারিয়েট ইত্যাদি অফিসে জনসাধারণের প্রয়োজনীয় যেকোনো সেবা প্রদান।
৯. বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাতীয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ) ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি, ফরমফিলাপ ও অন্যান্য সহযোগিতা করা।
১০. যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেরা ঘুষ ও সুদ দানে বিরত থাকা এবং ঘুষ ও সুদ প্রদান ও গ্রহণ থেকে বিরত থাকার জন্য জনসাধারণকে সচেতন করা।

১১. অসহায় এবং দুর্বল কৃষকদের কৃষিকাজে সহযোগিতা করা।
১২. সকল প্রকার বিচারিক আদালতে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করা।
১৩. মসজিদ, মাদরাসা, মন্দির, গির্জা, অন্যান্য ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মনে রাখতে হবে অন্য যেকোনো দেশের অমুসলিম ভাইয়েরা যদি সে দেশের সব মসজিদ, মাদরসা ভেঙে ফেলে সেই অপরাধে এ দেশের একটা মন্দির, গির্জা বা অন্য কোনো উপাসনালয় ভাঙা তো দূরের কথা তার একটা ইট/পাথরের ক্ষতি করার অধিকার ইসলাম কোনো মুসলমানকে দেয়নি। সুতরাং এই ধবংসাত্মক কাজে যারা জড়িত হয় তারা আর যাই হোক অন্তত মুসলমান হতে পারে না।
১৪. বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাবলিক প্লেস, কবরস্থান, রাস্তার দুইপাশে বৃক্ষরোপণ করা। সরকার ঘোষিত যেকোনো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজ বাড়িতে/টপে বছরে কমপক্ষে দুইটা বৃক্ষরোপণ করা।
১৫. প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলাদা কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা যেখানে মেধাবী সিনিয়র ছাত্রছাত্রী জুনিয়র ছাত্রছাত্রীদের বিনাবেতনে শিক্ষাদান করবে। বিশেষ করে স্কুলগুলোতে ক্যাডেট ভর্তি কোচিং এবং কলেজগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়/মেডিক্যাল/ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি কোচিং চালু করা যেতে পারে।
১৬. জনসাধারণকে বিদ্যুৎ/ পানি/ গ্যাস বিল, ট্যাক্স ও জাকাত সময়মতো ও সঠিকভাবে প্রদানে সচেতন করা। এ লক্ষ্যে গ্রুপ করে বাড়ি বাড়ি, বিভিন্ন সরকারি/বেসরকারি অফিসে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গিয়ে ক্যাম্পেইন করা।

১৭. জাকাত আদায় ও বণ্টন করা। কারণ জাকাতের মূল উদ্দেশ্যই হলো গরিব দুঃখীদের অভাব দূরীকরণের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সাম্যবৃত্তিক সমাজ গঠন করা। ‘তাদের (ধনীদের) ধন-সম্পদে রয়েছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতদের অধিকার।’ (সূরা আজ্জারিয়াত: ১৯)। ‘যাদের ধন-মালে প্রার্থনাকারী এবং বঞ্চিতদের একটা নির্দিষ্ট অধিকার রয়েছে।’ (সূরা মা’আরিজ: ২৪-২৫)। প্রত্যেক মসজিদে ইমাম এবং ৫/৭ জন ছাত্রদের সমন্বয়ে জাকাত কমিটি গঠন করা। কমিটির সভাপতি হবেন ইমাম, সেক্রেটারি হবেন অত্র এলাকার সিনিয়র ছাত্র। প্রতি ১৫-২০টা (জাকাতদাতা-গ্রহীতা উভয়) পরিবারের জন্য একজন করে ফিল্ড অফিসার/মার্কেটিং অফিসার এলাকার বেকার যুবক/ছাত্রছাত্রীদের মাঝ থেকে নিয়োগ দিবে। তাদের বেতন/সম্মানী জাকাত ফান্ড থেকে দিবে। অফিসারদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে। সংশ্লিস্ট অফিসার তাঁর নির্ধারিত ১৫/২০টা পরিবারের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মোটিভেশন দিবে। যাকাত দানে দুনিয়া ও আখিরাতের লাভ না দিলে দুনিয়া ও আখিরাতের ক্ষতি বুঝাবে। যাকাত, উশর, ফিতরা ক্যলকুলেশন করে দিবে, ব্যংকে জমা দেয়ার ব্যবস্থা করবে। প্রত্যেক মসজিদের ইসলামী ব্যাংকে আলাদা জাকাত অ্যাকাউন্ট থাকবে। জাকাতের টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে আদায় ও বণ্টন (চেক) করা হবে। উশর মসজিদের গুদামে জমা হবে। আদায়কৃত জাকাত, ফিতরা ও উশর একই এলাকায় জাকাত গ্রহীতাদের (সূরা তাওবা : ৬০ আয়াত অনুযায়ী) মধ্যে বিতরণ করবে। এই ক্ষেত্রে (জাকাত গ্রহীতা) শিক্ষিত/অশিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের নিয়ে উদ্যোক্তা উন্নয়নের কাজ করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট মসজিদ এলাকার চাহিদা পূরণের পর পার্শ্ববর্তী এলাকার জাকাত গ্রহীতাদের মধ্যে বণ্টন করা যেতে পারে।

জাকাত গ্রহীতার চাহিদা, যোগ্যতা, এলাকার চাহিদা, সংস্কৃতি আরো অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় এনে জাকাত কমিটি জাকাত গ্রহীতাকে মুদি দোকান, চায়ের দোকান, মুরগির ফার্ম, মাছের চাষ, সেলাই মেশিন, হস্তশিল্প, কুটির শিল্প, গরু/ছাগলের ফার্ম বা অন্যান্য ব্যবসার জন্য উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তুলতে পারে। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে চাকরির জন্য পাঠাতে পারেন। আবার মেধাবী ও গরিব ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। প্রত্যেক উদ্যোক্তা/জাকাত গ্রহীতাকে জাকাত গ্রহণের ৩-৪ বছরের মধ্যে একই পদ্ধতিতে কমপক্ষে একজন বেকার ছাত্র/যুবককে উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তোলার জন্য মোটিভেশন দিতে হবে। এভাবে করতে পারলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে এ দেশে দরিদ্র এবং বেকারের সংখ্যা ০ নিয়ে আসা সম্ভব।
১৮. জাকাত কমিটির তত্ত্বাবধানে কর্জে হাসানার জন্য একটা আলাদা ফান্ড করা যেতে পারে। উক্ত ফান্ডে বিত্তবানদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে (কোনো সম্পদ বন্ধক রেখে) দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিনালাভে/সুদে ইসলামী শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে অভাবী ও গরিবের মধ্যে বণ্টন করা যেতে পারে। পরবর্তীতে গ্রহীতা ফেরত দিলে উক্ত মূল অর্থদাতাকে ফেরত দিবে। এভাবে করতে পারলে গরিব ও অসহায় মানুষকে সুদের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা যেতে পারে।

১৯. দেশের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বা দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানে এগিয়ে আসা। উপরিউক্ত কার্যক্রমগুলো স্থানীয় স্কুল/কলেজের/বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্য থেকে ৫-১০ জন করে গ্রুপ করে একজন গ্রুপ লিডার, একজন ডেপুটি বিএনসিসি/স্কাউটের সিনিয়র ছাত্রছাত্রীর মধ্য থেকে হতে পারে। আর তাদের তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্রীড়াশিক্ষক/ বিএনসিসি/স্কাউটের দায়িত্বশীল শিক্ষক বা কমান্ডারকে নিয়োগ দেয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে লিয়াজোঁ করে উপরিউক্ত কার্যক্রমগুলো সম্পাদন করা যেতে পারে। উপরিউক্ত কার্যক্রমগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য চতুর্থ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত প্রত্যেক শ্রেণীতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ৫০ নম্বরের ১টা করে কোর্স/বিষয় (প্র্যাকটিক্যাল) থাকবে যেটা হবে কম্পলসরি। বছরে ৫০ ঘণ্টা/সপ্তাহে ১ ঘণ্টা করে ছাত্রছাত্রীরা স্বেচ্ছা শ্রম দিবে। উপরিউক্ত বিষয়/ কোর্সের সিলেবাস, কারিকুলাম শ্রেনীভেদে আলাদা হবে। দেশের প্রচলিত আইনে কাভার না করলে প্রয়োজনে নতুন আইন করে হলেও ছাত্রছাত্রীদের দ্বারা কাজগুলো করাতে হবে। কারণ আমি মনে করি আমাদের ছাত্রসমাজের দ্বারাই এ কাজগুলো করা সম্ভব। কারণ বাংলাদেশের নিবন্ধিত/অনিবন্ধিত প্রায় ১০০ রাজনৈতিক দল বিগত ১৬ বছর ধরে জাতির ওপর সম্পূর্ণ অবৈধভাবে চেপে থাকা যে জঞ্জাল সরাতে পারেনি আমাদের ১৬ (গড়) বছরের সন্তানরা মাত্র কয়েক দিনের আন্দোলনে আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে সেই জঞ্জাল এ দেশ থেকে বিদায় দিয়ে এ দেশের মাটিকে পবিত্র করেছে। আর ইতোমধ্যে এই অল্প বয়সী দু’জন ছাত্র ৪টা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সততা ও যোগ্যতার সাথে পালন করে বিশ্বে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে প্রমাণ করেছে ‘ইয়েচ উই ক্যান’। এভাবে করতে পারলে এক দিকে আমার দেশের ছেলেমেয়েরা ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ হবে। ফলে বিদেশ থেকে এক্সপার্ট নামধারী জনশক্তি হায়ার করা আর প্রয়োজন হবে না বেকারত্ব দূর হবে এবং দেশ থেকে দুর্নীতি, বৈষম্য সমূলে উৎপাটিত হয়ে দেশ উত্তরোত্তর এগিয়ে যাবে। ফলে আমরা পাবো ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকার, সুদ, ঘুষ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার এবং বৈষম্যহীন প্রকৃত অর্থে একটা সোনার বাংলাদেশ ইনশা আল্লাহ।