বুধবার সকালে কারাগার থেকে মুক্তির পরই অভিনেত্রী পরীমণির হাতে দেখা গেছে মেহেদি। তারপরই প্রশ্ন উঠেছে আটক অবস্থায় এই মেহেদি কোথায় পেলেন তিনি। একটি সূত্র জানিয়েছে, জামিনের সংবাদে কারাগারের ভেতরে থাকা পরীমণির রাত কেটেছে আনন্দে, হাতে লাগিয়েছেন মেহেদি। এই আনন্দে পরীমণি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্য নারী আসামিদের সাথে গল্প করেন।
কাশিমপুর মহিলা কারাগারে বিউটি পার্লার রয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের প্রশিক্ষণের জন্য এই পার্লার করা হয়েছে।
বুধবার কাশিমপুর নারী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সূত্র জানায়, পরীমণির জামিনের কাগজ রাত এগারোটায় এসে পৌঁছায়। সকালের দিকে তাকে অবগত করা হয় আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন।
সূত্র আরো জানায়, মঙ্গলবারেই জামিনের খবর পরীমণি জানতে পারেন। তারপরে খুশিতে ওয়ার্ডে মধ্যরাত পর্যন্ত পরীমণি অন্য নারী আসামিদের সাথে গল্প করেন। সূত্রটি দাবি করেন, যেহেতু নারী বন্দিদের প্রশিক্ষণের জন্য কারাগারের ভেতরে বিউটি পার্লার রয়েছে, আসামিদের সেখানেও সাজার সুযোগ থাকে। সেখান থেকেও মেহেদি লাগাতে পারেন পরীমণি। এছাড়া কারাগারের ভেতর থেকেই মেহেদি সংগ্রহ করে হাতে লাগিয়েছেন বাইরে থেকে আনার কোনো সুযোগ নেই।
এদিকে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হলে স্বজনরা তাকে বরণ করে নেন।
এ সময় পরীমণির পরনে ছিল সাদা রঙের টিশার্ট, সান গ্লাস এবং মাথায় পাগড়ির মতো করে প্যাঁচানো ছিল সাদা ওড়না।
পরীমণির জামিনের খবর পেয়ে কারাফটকে উৎসুক মানুষ ভিড় করেন। তাদের উদ্দেশে তিনি হাত নাড়েন। দেখা যায়, তার হাতে মেহেদি দিয়ে তিনি কিছু একটা লিখেছেন। ফটো সাংবাদিকদের তোলা ছবিতে দেখা গেছে, তার হাতের তালুতে স্পষ্ট করেই প্রতীকী চিহ্নসহ ইংরেজিতে লেখা হয়েছে একটি বাক্য।
বাক্যটিতে লেখা ছিল, হাতে ‘ডোন্ট লাভ মি বিচ’ বলে গালি দিয়ে তাকে ভালোবাসতে নিষেধ করেছেন পরী। তবে কার উদ্দেশে এ লেখা তা পরিষ্কার নয়। মেহেদি দিয়ে এই লেখাটি অনেকেরই চোখে পড়ে। হাতে লাভ চিহ্নও ছিল। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
৩১ আগস্ট জামিন পান পরীমণি। ৫০ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশ রিপোর্ট দেয়ার আগ পর্যন্ত তাকে জামিন দেয়া হয়।






