ইরানি নিষেধাজ্ঞার কারণে আজারবাইজান এয়ারলাইন্স প্রতিবেশী আর্মেনিয়ার আকাশপথ ব্যবহার করছে। আজারবাইজানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের বিমানগুলো আর্মেনিয়ার আকাশসীমা দিয়ে বাকু থেকে দেশটির নখচিভান এলাকায় যাচ্ছে। বুধবার আজারবাইজান এয়ারলাইন্স ট্রেন্ড নিউজ এজেন্সিকে এসব তথ্য জানিয়েছে।

আজারবাইজান এয়ারলাইন্স বলেছে, আজারবাইজান চায় এ অঞ্চলে আবারো পরিবহন যোগাযোগ শুরু হোক। এর মাধ্যমে সীমান্তবর্তী দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষিত হবে।

আজারবাইজান এয়ারলাইন্স আরো বলেছে, বাকু থেকে দেশটির নখচিভান এলাকায় যাওয়ার জন্য আকাশসীমার এ পরিবর্তনে দেশটির অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের সময় কমেছে। এছাড়া জ্বালানি খরচও কম হচ্ছে।

মঙ্গলবার থেকে ইরানের নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশটির আকাশসীমা ব্যবহার করে আজারবাইজানের সামরিক বিমান নখচিভান প্রদেশে যেতে পারছে না। এ কারণে আজারবাইজান এয়ারলাইন্স এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।

আজারবাইজানকে ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে দেশটির সামরিক বিমানের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ। এছাড়া ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজারবাইজানের নখচিভান প্রদেশে যেতে দেশটির সামরিক বিমানগুলোর জন্য ইরানের আকাশপথ নিষিদ্ধ। একটি সামরিক সূত্র তার্কিক ওয়ার্ল্ডকে এসব তথ্য জানিয়েছে।

আজারবাইজানের এসব সামরিক বিমান বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে নখচিভান প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিতে যায়।

অন্যদিকে ইরানও আজারবাইজানে ভূমি ব্যববহার করে থাকে তাদের পরিবহন ও ট্রানজিট কার্যক্রমের জন্য। ইরান অধিকাংশ সময় আজারবাইজানের আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহন করিডর (আইএনএসটিসি) ব্যবহার করে।

ইরানের আকাশপথ নিষিদ্ধ থাকার পরেও আজারবাইজানের জন্য তেমন কোনো অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছে দেশটি। কারণ, অন্য পথ দিয়ে আজারবাইজান তাদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে খচিভান প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছবে।

সূত্র : ইয়েনি শাফাক