ইরানের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী ও পরমাণু সমঝোতায় প্রধান আলোচক আলী বাকেরি-কানি জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি পুনর্জীবনে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় চলমান আলোচনায় নভেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ইরান ফিরবে।
বুধবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক উপপ্রধান এনরিক মোরার সাথে বৈঠকের পর এক টুইট বার্তায় এই তথ্য জানান তিনি।
টুইট বার্তায় আলী বাকেরি-কানি বলেন, ‘সফল সমঝোতার প্রয়োজনীয় উপাদান সম্পর্কে এনরিক মোরার সাথে গুরুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘নভেম্বর শেষ হওয়ার আগেই আমরা সমঝোতা আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছি। আগামী সপ্তাহে সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।’
had a very serious & constructive dialogue with @enriquemora_ on the essential elements for successful negotiations.
— علی باقریکنی (@Bagheri_Kani) October 27, 2021
We agree to start negotiations before the end of November. Exact date would be announced in the course of the next week. https://t.co/0A7BOPZh8f
এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে অস্ট্রিয়ায় ভিয়েনায় শুরু হওয়া সমঝোতা আলোচনায় ইরানের সাথে চীন, রাশিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেন ছয় দফায় বৈঠক করে। জুনে ইরানে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কারণে সমঝোতা আলোচনা স্থগিত করা হয়।
২০১৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় ভিয়েনায় ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও জার্মানি পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর করে। জয়েন্ট কম্প্রেহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন বা সংক্ষেপে জেসিপিওএ নামে পরিচিত এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। এর বিনিময়ে ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করতে সম্মত হয়।
তবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেন। যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে সীমিত পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করে।
বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তিনি জানিয়েছেন, ইরানকে আগে তার পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে আসতে হবে। অপরদিকে ইরান আগে দেশটির ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি করছে।
সূত্র : প্রেস টিভি






