অলস বিকেল। যেন সময়ের এক একটি থমকে থাকা অধ্যায়। হালকা কুয়াশা আর মৃদু বাতাসের ছোঁয়ায় এক অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করছিল। বছরের শেষ দিকের দিনগুলোয় আকাশে যেন একধরনের মন খারাপের বিষণ্ণতা ভেসে বেড়ায়। বিকেলের পড়ন্ত রোদ গুটিয়ে এলে, শহরের ঠাণ্ডা বাতাসে একধরনের অজানা স্বপ্নের গন্ধ মিশে থাকে। অতি পরিচিত যানজটের মাঝেও এক অদ্ভুত স্থবিরতা কাজ করে। টেবিলে ছড়িয়ে থাকা কাগজপত্রের ভিড়ে কলম হাতে নিলেও মাথায় আসছিল না নতুন কিছু। যখন মানুষ তার স্বপ্নের পথে চলতে থাকে, মাঝে মধ্যে হুটহাট কিছু মুহূর্ত আসে, যা তাকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে সহায়তা করে। সে দিনটা আমার জন্য এমনি এক মুহূর্ত ছিল।
একটি বড় প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছিলাম, হঠাৎ ফোন বেজে উঠল। ফোনের অন্য প্রান্তে কে আছে জানতাম না, তবে কণ্ঠটা বেশ পরিচিত মনে হলো।
‘হ্যালো, আমি ডক্টর ইউনূস বলছি।’
থমকে গেলাম। শরীরটা যেন এক পলকে শক্ত হয়ে গেল। আমি কি ঠিক শুনেছি? ড. মুহাম্মদ ইউনূস! খুব কাছের শোনাল তার কণ্ঠস্বর। পৃথিবীজুড়ে পরিচিত এমন একজন মানুষ আমার সাথে কথা বলছেন! স্তব্ধ হয়ে গেলাম। কথা বলতে পারছিলাম না।
‘আপনার লেখা পড়েছি। রাষ্ট্র নিয়ে আপনার ভাবনা-চিন্তা খুব ভালো। আমি কিছু কথা বলতে চাই। সময় হবে? আসুন না, একসাথে এক কাপ চা খেতে পারি।’
সময়ের কী অভাব! তার মতো একজন মানুষ যদি সময় দিতে চান, তাহলে মিস করার প্রশ্নই আসে না। মাথার মধ্যে অসংখ্য চিন্তা ভিড় করতে লাগল। ঘরে-বাইরে সব কিছু একসাথে মিশে যাচ্ছিল। শুকনো গলায় কোনো রকমে বলি, ‘অবশ্যই, স্যার। আমি আসছি।’
সূর্য তখন ধীরে ধীরে পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়ছে, আকাশজুড়ে কমলা রঙের মায়াবি আলো। শহরের কোলাহল কিছুটা স্তিমিত, কিন্তু মানুষের মুখে তবুও একধরনের ক্লান্তি আর প্রত্যাশার ছায়া। এই আবহে আমার মনে প্রশ্নের ঢেউ উঠল- কেন তিনি আমাকে ডেকেছেন? আমার কলামগুলো নজরে আসাই কী কারণ, নাকি পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে?
সে দিন যেন বিকেলটা নিজে থেকেই ভিন্নরকম হয়ে গেল। সন্ধ্যা নামার আগেই আমি ড. ইউনূসের অফিসে পৌঁছে গেলাম। অফিসে ঢুকেই যেন এক শান্তির অনুভূতি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। প্রথমেই যে বিষয়টি নজরে পড়ল, তা হলো পরিবেশের সারল্য। সব কিছু এতটাই পরিপাটি ও সুশৃঙ্খল, মনে হলো এখানেই গড়ে ওঠে নতুন ভাবনার বীজ। মৃদু আলো, সাজানো-গোছানো বইয়ের তাক, দেয়ালে টাঙানো কিছু ছবি। একটি সুরুচিপূর্ণ মার্জিত পরিবেশ। অফিসের পারিপাট্য, শান্তি এবং ভেতরের অব্যক্ত এক শক্তি আমাকে মুগ্ধ করছিল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি এসে ঢুকলেন। ‘এসেছেন?’ বলে মিষ্টি হাসির দ্যুতি ছড়ালেন তিনি। পরনে সাদাসিধে পাঞ্জাবির ওপর গ্রামীণ চেকের কোটি। চোখে এক বিশেষ দীপ্তি, যেন বয়সের সাথে আরো বেশি শক্তিশালী ও ব্যক্তিত্বশীল হয়ে উঠেছেন। তবুও তার সহজ চলাফেরা, অতি সাধারণ পোশাক সব কিছু মিলিয়ে একটি অদ্ভুত তৃপ্তির অনুভূতি পাচ্ছিলাম। আমি দাঁড়িয়েছিলাম, তিনি এগিয়ে এসে মৃদু হেসে বললেন, ‘আসুন, বসি। চা আসছে।’
তার ব্যক্তিত্বের মধ্যে ছিল এক ধরনের শান্ত শক্তি। তার সাথে বসার পর পরই চা এলো। চায়ের কাপ হাতে তিনি প্রথম যে কথাটি তিনি বললেন তা ছিল আমাকে সবার আগে ভাবাতে বাধ্য করা। ‘আপনার কলামগুলো পড়েছি, রাষ্ট্রের কাঠামো নিয়ে আপনার চিন্তা বলিষ্ঠ। কিন্তু আপনি যখন বলেন, ‘ব্যক্তি সংস্কার ছাড়া রাষ্ট্র সংস্কার সম্ভব নয়, এর পেছনে আসলে কী ভাবনা ছিল?’
আমি খানিকটা প্রস্তুত থাকলেও তার সোজাসাপ্টা প্রশ্নে চমকে গেলাম। একটু গভীরভাবে চিন্তা করে বললাম, ‘স্যার, আমার বিশ্বাস, ব্যক্তি যদি সৎ, দায়বদ্ধ না হয়, তাহলে সে যেখানেই কাজ করবে, সেই প্রতিষ্ঠানেও দুর্বলতা আসবে। ব্যক্তি বদলালে সে সমাজ বদলাতে পারবে। আর সমাজ বদলালে রাষ্ট্র বদলাবে। আর একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠান কোনো দিনই রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে পারবে না।’
ড. ইউনূস মৃদু হাসলেন, চোখে ঝিলিক দিয়ে বললেন, ‘ঠিক বলেছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, ব্যক্তির উন্নতি হবে তখনই, যখন তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হবে। অর্থাৎ ব্যক্তি সংস্কারের পাশাপাশি আরো একটি জিনিস দরকার- দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো।’
এটি আমাকে আরো ভাবিয়ে তুলল। তার কথাগুলো যেন ছিল একটি চাবিকাঠি, যা আমার চিন্তা প্রক্রিয়ার আরও গভীরে গিয়ে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দরোজা খুলে দিলো।
ড. ইউনূস আমাকে একটি গল্প শোনালেন। গল্পটি ছিল এক যুবক সম্পর্কে, যিনি একদিন এসে বলেছিলেন, ‘স্যার, আমি এই দেশে সব কিছু বদলে দিতে চাই।’
ড. ইউনূস তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তুমি কি করতে চাও?’
তরুণটি উত্তরে বলেছিল, ‘দেশের মানুষের মাঝে সচেতনতা আনতে চাই, যাতে সবাই একসাথে কাজ করে, উন্নতি করতে পারে।’
ড. ইউনূস হাসলেন, ‘বেশ তো। তুমি এখন সবার আগে নিজের গ্রামকে বদলাও।’
তরুণটি হতবাক হয়ে জানতে চায়, ‘গ্রাম বদলালে কি দেশ বদলাবে?’
‘হ্যাঁ, নিজের গ্রাম বদলালে তুমি দেখতে পাবে, কেবল গ্রামই বদলায়নি, তুমি সেই বদলের ধারা আরো বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে পারছ। একটি গ্রাম বদলাতে পারলে, পুরো দেশ বদলে যেতে পারে,’ ড. ইউনূস উত্তর দিলেন।
গল্পটি শুনে আমার ভেতরে যেন নতুন এক উপলব্ধি জন্ম নিলো। আমি তার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনলাম। আসলেই তো, পরিবর্তন একটি ধীরে ধীরে চলমান প্রক্রিয়া। খুব ছোটখাটো কিছু পদক্ষেপ থেকেই শুরু হয়, আর ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে। একসময় সেসব পদক্ষেপ বৃহৎ পরিবর্তনে রূপান্তরিত হয়।
তার সাথে চায়ের কাপ হাতে আড্ডা জমে উঠল। ‘এখন যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো নেতৃত্ব, আমাদের দেশে নেতৃত্বে অনেক ঘাটতি।’ ড. ইউনূস বললেন। ‘আমরা ভাবি, নেতৃত্ব মানে বড় পদে থাকা। কিন্তু আসলে নেতৃত্ব মানে হলো দৃষ্টিভঙ্গির বদল ঘটানো। মানুষের মঙ্গল কামনা করা, তাদের জন্য কাজ করা। যদি আপনি প্রকৃত নেতা হতে চান, তাহলে আপনার নেতৃত্ব মানুষের হৃদয় ছুঁতে হবে।’
আমি জানতে চাইলাম, ‘কিন্তু স্যার, নেতৃত্ব তৈরি হবে কিভাবে? আমাদের শিক্ষা, রাজনীতি কিংবা সামাজিক কাঠামো তো তেমন বদলায়নি- সেখানে যে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসছে না?’
ড. ইউনূস গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন। বললেন, ‘আমরা ভাবি, পরিবর্তন মানেই এক লাফে বিশাল কিছু। কিন্তু পরিবর্তন শুরু হয় ক্ষুদ্রতম কাজ থেকে। যেমন গ্রামীণ ব্যাংক। আমি যদি ভাবতাম, পুরো দারিদ্র্য মুছে দিতে পারব, তবে কাজই শুরু করতে পারতাম না। আমি শুধু একটি পরিবারকে সাহায্য করেছি। আর সেই একটি পরিবার থেকেই ধারণাটি ছড়িয়ে পড়েছে।’ তিনি আরো বললেন, ‘আপনি যখন অন্যদের জন্য কিছু করতে শুরু করবেন, তখন আপনিই প্রকৃত নেতা হয়ে উঠবেন। সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, মানবিকতা এবং দায়বদ্ধতা হলো নেতৃত্বের মূল ভিত্তি। যদি আপনি নিজের পরিবর্তন ঘটাতে পারেন, দেখতে পাবেন, সেই পরিবর্তন সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে।’
তিনি খানিকটা থামলেন। টেবিল থেকে একখান টিস্যু নিয়ে চোখ মুখ মুছলেন। বললেন, ‘ধরেন, আপনি যখন কিছু করতে যাবেন, প্রথমে হয়তো আপনার কাছে এক জন মানুষ থাকবে, কিন্তু আপনি সৎভাবে তাকে দেখাতে পারলে, সেই একজনও বাকিদের নিশ্চিত প্রভাবিত করতে পারবে। আর এভাবেই চিরকাল পরিবর্তন হবে।’
ড. ইউনূস পরবর্তী আলোচনায় বললেন, ‘যদি রাষ্ট্রের কাঠামো মানবিক না হয়, তাহলে সেখানে প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কোনো কাজেই আসবে না। একটি রাষ্ট্র শুধু শক্তিশালী ব্যক্তিদের দিয়ে চলতে পারে না, তাকে জনগণের সহানুভূতির জায়গা থেকেও পরিচালিত হতে হবে।’
‘এটা কি শুধু আমাদের দেশে প্রযোজ্য?’ আমি জিজ্ঞাসা করলাম।
‘না, এটি সবার জন্য। পরিবর্তন এক দিনে আসে না, কিন্তু এটি শুরু হয় চিন্তা থেকে। যখন একটি জাতি, একটি জনগণ তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করবে, তখন রাষ্ট্র বদলানোর দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাবে।’
এ কথাগুলো গভীরভাবে মনে রাখতে হবে- যখন আমরা কথা বলি, তখন সেটি হতে হবে সত্যিকারের উদ্দেশ্যপূর্ণ, যাতে মানুষের কল্যাণ হয়। পরিবর্তন আসবে তখনই, যখন আমরা নিজেদের উদ্দেশ্য ভুলে না গিয়ে, সত্যিকারভাবে সমাজের জন্য কিছু করতে পারব। তিনি আরো ব্যাখ্যা করলেন, ‘মানবিকতা হলো রাষ্ট্রের ভিত্তি। আপনি যদি সঠিক নেতৃত্ব দেন, তবে মানুষ শুধু আদেশ শুনবে না, তারা আপনাকে ভালোবাসবে। এই ভালোবাসাই বড় পরিবর্তন আনতে পারে।’
সময় দ্রুত বয়ে গেল। চায়ের কাপ কখন ফাঁকা হয়ে গেল এবং আমাদের আলাপ শেষ হলো। বিদায় নেয়ার সময় ড. ইউনূস আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আপনার কলম অনেক শক্তিশালী। মানুষকে ভাবায়। এটিই আপনার শক্তি। সেটি শুধু সমস্যা দেখাবে না, সমাধানের পথও নিশ্চয় দেখাবে। মানুষকে ভাবতে শেখান, তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে সাহায্য করুন। স্মরণ রাখবেন, পরিবর্তন একদিনে হয় না, তবে এটি শুরু হতে হবে এখন থেকেই।’
চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ড. ইউনূস কিছুক্ষণ নীরব রইলেন। তার পর গভীর স্বরে বললেন, ‘সম্প্রতি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ইসকনের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে অনেকের মনে ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তারা যেন সচেতনভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শেকড় টেনে উপড়ে ফেলতে চাইছে। কিন্তু মনে রাখবেন, উসকানির জবাব কখনো উগ্রতা দিয়ে দেওয়া যায় না। আমাদের সমাজ বহু ধর্মের মানুষের ঐক্যের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে। এটাই আমাদের শক্তি। আর এই শক্তিকে রক্ষা করতে হলে আমাদের রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে শান্ত ও সংযত থাকতে হবে।’
আমি চুপচাপ শুনছিলাম। তিনি আরও বললেন, ‘শান্তি বজায় রাখতে রাষ্ট্রের উচিত শক্ত হাতে কোনো ধরনের উসকানিমূলক কাজ বন্ধ করা। কিন্তু তার সাথে সাথে নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। সঙ্কটে আবেগ নয়, বরং বিচক্ষণতা দিয়ে পথ খুঁজতে হবে।’
আমি মাথা নাড়লাম। তার কথাগুলো আমাকে নতুন ভাবনার রসদ জোগালো। সত্যিই তো, উত্তেজনার মুহূর্তে সমাজকে শান্ত রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি।
পা সরছিল না। যেন হাঁটতে পারছি না। তিনি দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিতে এলেন, মুচকি হেসে বললেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার একদিনে হবে না। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কিন্তু আপনাকে এটিই ভাবতে হবে- আপনি ঠিক কোন জায়গা থেকে শুরু করবেন।’ বিদায় নেয়ার ঠিক শেষ মুহূর্তে তিনি আরেকটি কথা বললেন, ‘দেখুন, আপনি যদি একটি বীজ পুঁতে দেন, তখন তা তৎক্ষণাৎ গাছ হয়ে যাবে না। তাকে সময় দিতে হবে। পানি দিতে হবে। রোদ আর বাতাসের সাথেও মানিয়ে চলতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কারের কাজটিও তেমন। আমরা যখন বীজ পুঁতে দিইÑ চিন্তার, মানবিকতার, দায়িত্ববোধের- তখন তাকে সময় দিতে হয়। কিন্তু সেই সময়টা যেন নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।’ কথাটি আমার হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করল। মনে হলো, তিনি একটি মহাসত্য বলে গেলেন। আমি মাথা নাড়লাম। রাষ্ট্র পরিবর্তনের কাজ কেবল একটি দায়িত্ব নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটি শুরু হয় নিজের ভেতর থেকে, তারপর সমাজে, পরে রাষ্ট্রে।
‘আল্লাহ হাফেজ’ বলে তিনি ভেতরের দিকে ফিরে গেলেন। আমি ধীর পায়ে বাইরে এলাম। অনুভব করলাম, একটি গল্পের শেষ মানে আসলে সমাপ্তি নয়, বরং এটি নতুন একটি শুরুর প্রতিশ্রুতি। ড. ইউনূস আমাকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিলেন, যা শুধু রাষ্ট্র বা সমাজের নয় বরং মানুষের জীবনও পাল্টে দিতে পারে। তার কথাগুলো আমার মনে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিলো। মনে একধরনের তৃপ্তি। যেন জীবনের লক্ষ্য নতুন করে চিনতে পারলাম। এখন আমার কলম আর চিন্তা কেবল সমস্যার চিত্র তুলে ধরবে না বরং পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দেবে।
পরিবর্তন আসবেই, যদি আমরা পরিবর্তনের শুরুতে মাটি কামড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারি।
লেখক : সাহিত্যিক, কলামিস্ট
