“ফলিস্তিনিদের এই চরম মূল্য দিতে হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোর নেতৃত্বের
লজ্জাজনক অবস্থার কারণে। তুরস্ক এবং ইরান ছাড়া বাকি দেশগুলো নিজেদের
ক্ষমতা, আরাম-আয়েশ, অন্তর্কলহ, পশ্চিমাদের চাটুকারিতা এবং তাদের দয়া-দাক্ষিণ্য
ও অনুগ্রহ লাভ করার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। সৌদি আরব নিজে মুসলিম শিশু-নারী হত্যায় ব্যস্ত ইয়েমেনে বোমার পর বোমা ফেলে। তারা ইরানকে নিঃশেষ করে দেয়ার জন্য মার্কিনিদের সাথে চক্রান্তে লিপ্ত। মিসরের সামরিক জান্তা নিজের গদি টিকিয়ে রাখতে আমেরিকার পদলেহন এবং ইসরাইলকে সব সুযোগ-সুবিধা দিতে মশগুল। সৌদি আরব ইসরাইলের সাথে গোপন বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক করে যাচ্ছে”
গত ১০ মে অর্থাৎ ২৭ রমজান থেকে ১১ দিন ধরে ইসরাইল নামক সন্ত্রাসী রাষ্ট্র একতরফাভাবে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করে অসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর লাগাতার বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে গাজার প্রায় দুই হাজার ভবন ধ্বংস হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫৩টি স্কুল, ১৭টি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ২৫৩ জন নিরীহ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ৭০ জন শিশু এবং ৪১ জন মহিলা রয়েছেন। আর ৫২ হাজার ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছেন। এ ছাড়া ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে ইসরাইলের অভ্যন্তরে ১৩ জন আরব নাগরিক নিহত হয়েছেন। অপর দিকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা হামাসের রকেট হামলায় ইসলাইলের ২ শিশুসহ ১২ জন ইহুদি নাগরিক প্রাণ হারায়। বিশ্ব মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের একমাত্র স্বঘোষিত অভিভাবক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের এই কাপুরুষোচিত বর্বর হামলায় অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে। অথচ ‘হামাস’কে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে অখ্যায়িত করে রকেট হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংজ্ঞা মতে, গাজা উপত্যকায় নিরস্ত্র নগরবাসীর ওপর সর্বাত্মক বিধ্বংসী বিমান হামলা হলো ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষার’ অধিকার!
সর্বশেষ সংঘর্ষের কারণ : গত ১৩ এপ্রিল প্রথম রমজানের দিন ইসরাইলি বাহিনী ‘মসজিদুল আকসা’য় অভিযান চালিয়ে মসজিদের সাউন্ড সিস্টেমের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। যাতে মসজিদের আজানের শব্দে তাদের ১৯৬৭ সালে জেরুজালেম দখলের ‘মেমোরিয়াল ডে’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের বক্তৃতায় (মসজিদের কাছাকাছি ওয়েস্টার্ন ওয়ালে) বিঘ্ন না ঘটে। ওই দিন ইসরাইলিরা ‘মসজিদে আকসা’র দামেস্ক গেট বন্ধ করে রমজানের প্রথম দিনেই মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। এতে উসকানি চরমে ওঠে এবং ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ চলতে থাকে। ইতোমধ্যে গত ৩ মে পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জাররা এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী ছয়টি মুসলিম পরিবারকে তাদের যুগ যুগ ধরে বসবাস করা ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে। ৭ মে অর্থাৎ রমজানের শেষ শুক্রবার ইসরাইলি পুলিশ ‘মসজিদে আকসা’য় প্রবেশ করে মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। ফিলিস্তিনিগণ বাধা উপেক্ষা করে মসজিদে প্রবেশ করে নামাজে নিমগ্ন হলে ইসরাইলি বাহিনী মসজিদে হামলা করে। নামাজরত বৃদ্ধ-নারী-পুরুষ-শিশু নির্বিশেষে সবাইকে লাথি মেরে মেরে মসজিদ থেকে বের করে দেয়। এই জঘন্যতম বর্বর আচরণ ফিলিস্তিনিরা মেনে নিতে পারেনি। তারা তাদের একমাত্র অস্ত্র ইট-পাথর দিয়ে আধুনিক সুসজ্জিত ইসরাইলি বাহিনীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে থাকলে ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরতা চরমে পৌঁছে।
এমতাবস্থায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী ‘হামাস’ ইসরাইলি বাহিনীকে বায়তুল মোকাদ্দাস ত্যাগ করার আলটিমেটাম দেয়। তারা এতে কর্ণপাত না করলে ১০ মে হামাস যোদ্ধারা ইসরাইলের অভ্যন্তরে রকেট নিক্ষেপ করে। ইসরাইল তাদের পূর্ব পরিকল্পিত জাতিগত নির্মূল অভিযান শুরুর জন্য হামাসের এই প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষাতেই ছিল। মুহূর্তের মধ্যে ইসরাইলি বিমানবাহিনী ২০ লাখ ফিলিস্তিনির পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এবং গত ১৫ বছর যাবত অবরুদ্ধ শহর গাজায় মুহুর্মুহু বোমা নিক্ষেপ শুরু করে। এরপর ১৩ মে তারা গাজা সীমান্তে ট্যাংক বহর পাঠায় এবং আর্টিলারি গোলা ও হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে স্মার্ট-মিসাইল নিক্ষেপ শুরু করে। বাংলাদেশের একটি উপজেলার আয়তনের সমান মাত্র ৩৬৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের শহরটিতে ইসরাইলি বিমানবাহিনী ১১ দিনে শত শত বার বোমা ও গাইডেড মিসাইল দিয়ে আক্রমণ চালিয়েছে।
‘আত্মরক্ষা’র নামে সন্ত্রাস : ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিঃশর্তভাবে ইসরাইলের সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সব প্রেসিডেন্টই ‘আত্মরক্ষা’ নামক শব্দটি ব্যবহার করে ইসরাইলের সব ধরনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বৈধতা দিয়েছেন। ২০১৮ সালের মে মাসে গাজায় ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের হত্যায় ইসরাইলের অকুণ্ঠ সমর্থন দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ২০১৪ সালের জুলাইয়ে ১০ দিনের বোমা হামলায় দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি হত্যাকে বারাক ওবামা ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষার’ অধিকার বলে সমর্থন দেন। ২০০৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর গাজায় ইসরাইলি সেনা অভিযানের জন্য প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ হামাসকে দায়ী করেন। ২০০০ সালে লেবাননের কোণায় জাতিসঙ্ঘের একটি ভবনে ইসরাইল হামলা করে শতাধিক বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এই হামলা সমর্থন করেন। ১৯৮৭-১৯৯১ সালে প্রথম ইন্তিফাদার সময় বিক্ষোভকালে ফিলিস্তিনিদের হত্যার মাধ্যমে নৃশংসভাবে বিক্ষোভ দমাতে ইসরাইলকে শক্তিশালী করার জন্য প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে হারানো ভূমি দখলের জন্য ১৯৭৩ সালে মিসর ও সিরিয়ার নেতৃত্বে আরব দেশগুলো ইসরাইল আক্রমণ করে প্রাথমিকভাবে জয়লাভ করলে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন অত্যাধুনিক অস্ত্র প্রেরণ করে ইসরাইলকে সরাসরি সাহায্য করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেন। আর ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইহুদিরা জোর করে ব্রিটিশ কলোনি ফিলিস্তিনে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার সাথে সাথে প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেন। এ জন্যই প্রয়াত ইসরাইলি প্রফেসর ইউরি অ্যাভনারি বলেছিলেন, ‘Israel is a small America and America is a large IsraelÕ (The Daily Star: 18.05.2021)। আর আমেরিকার সব প্রেসিডেন্টের ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষার’ অধিকারের একই গল্প শুনে শুনে একজন ফিলিস্তিনি রাজনীতিক বলেছিলেন, ‘We are the only people on Earth asked to guarantee the security of our occupier ... while Israel is the only country that calls for defence from its victims’ (প্রাগুক্ত)।
পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিক্রিয়া : পশ্চিমা বিশ্বের কূটনৈতিক ভাষার প্রতিক্রিয়া অবাক করার মতো কিছু নয়। তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে অত্যাধুনিক ইসরাইলি বাহিনী এবং দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হামাস উভয় পক্ষকে দায়ী করছে। তাদের ভাষায় বুঝা যাচ্ছে হামাস রকেট নিক্ষেপ করেছে বলেই ইসরাইলি বিমানবাহিনী বোমা নিক্ষেপ করে প্রতিশোধ নিচ্ছে। আর গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরাইলি নির্বিচার বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি শিশু, নারী ও নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যার প্রক্রিয়া হচ্ছে ইহুদিদের ‘আত্মরক্ষা’ নিশ্চিত করার জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের মতো জার্মানিও এটাকে ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষার’ অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আর অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ মৌনভাবে সমর্থন দিয়েছে। তবে পশ্চিমা বিশ্বের সরকারগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সেসব দেশের শান্তিকামী জনগণ ইসরাইলের এই নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে রাস্তায় নেমেছে। আর বাইডেনের নিজ দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরে এই বিষয়ে বিরোধের সুর বেজে উঠলে বাইডেন বাধ্য হয়ে নেতানিয়াহুকে আক্রমণ বন্ধের আদেশ দেন।
মুসলিম উম্মার দৈন্যদশা : ফিলিস্তিনিদের এই চরম মূল্য দিতে হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোর নেতৃত্বের লজ্জাজনক অবস্থার কারণে। তুরস্ক এবং ইরান ছাড়া বাকি দেশগুলো নিজেদের ক্ষমতা, আরাম-আয়েশ, অন্তর্কলহ, পশ্চিমাদের চাটুকারিতা এবং তাদের দয়া-দাক্ষিণ্য ও অনুগ্রহ লাভ করার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। সৌদি আরব নিজে মুসলিম শিশু-নারী হত্যায় ব্যস্ত ইয়েমেনে বোমার পর বোমা ফেলে। তারা ইরানকে নিঃশেষ করে দেয়ার জন্য মার্কিনিদের সাথে চক্রান্তে লিপ্ত। মিসরের সামরিক জান্তা নিজের গদি টিকিয়ে রাখতে আমেরিকার পদলেহন এবং ইসরাইলকে সব সুযোগ-সুবিধা দিতে মশগুল। সৌদি আরব ইসরাইলের সাথে গোপন বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক করে যাচ্ছে। এমনকি এসব দেশ হামাসকে ইসরাইলে রকেট নিক্ষেপের জন্য শাসাচ্ছে! এমতাবস্থায় ইসলামী সম্মেলন সংস্থা একটি অথর্ব সংগঠনে পরিণত। শুধু নিন্দা জ্ঞাপন ছাড়া তাদের আর কোনো তৎপরতা নেই। সব মিলে ২০০ কোটি মুসলমানকে নিয়ে মাত্র অর্ধকোটি ইহুদি সম্প্রদায় পুতুল খেলা খেলছে এই বিশ্বরঙ্গমঞ্চে।
ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ : এগারো দিন ধরে ইহুদিবাদী ইসরাইলি সশস্ত্রবাহিনী গাজা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। পশ্চিমা বিশ্ব এটিকে ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষা’র যুদ্ধ বললেও প্রশ্ন উঠেছে, মসজিদুল আকসায় ঢুকতে মুসলমানদের বাধা দেয়া, পূর্ব জেরুসালেমের শেখ জাররা থেকে ছয় ফিলিস্তিনি পরিবারকে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ এবং জুমাতুল বিদার দিনে মসজিদে নামাজরত নিরীহ মুসলমানদেরকে পাশবিক নির্যাতন, গ্রেফতার ইত্যাদির কোনটি তাদের আত্মরক্ষার কাজ? তা ছাড়া ‘আলজাজিরা’ এবং ‘এপির’ কার্যালয় মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া সংবাদ মাধ্যমের ওপর নগ্ন আক্রমণ কি ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষার’ জন্য প্রয়োজন ছিল? হামাসের দেশীয় রকেট নিক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় পূর্ণমাত্রায় সামরিক অভিযান চালিয়ে শিশু-নারীসহ ২৫৩ জন বেসামরিক নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা নিঃসন্দেহে যুদ্ধাপরাধ। এটা মানবতাবিরোধী নৃশংস অপরাধ।
ইসরাইলের এই ন্যক্কারজনক আক্রমণকে কিছুতেই যুদ্ধ বলা যাবে না। যুদ্ধ হয় দু’টি দেশের দু’টি সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যে কোনো ভূ-রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি জনগণ নিজেদের ভূখণ্ডের দখলদারদের বিরুদ্ধে ইট-পাথর নিয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের নিয়মিত সশস্ত্রবাহিনী নেই। রয়েছে কিছু মিলিশিয়া যোদ্ধা।
ইসরাইলের সামরিক অভিযানের কারণ : বেনয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য এই যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। দীর্ঘদিন যাবত ক্ষমতায় থেকে বিভিন্ন কূটনৈতিক ব্যর্থতা এবং দুর্নীতির দায়ে তিনি বর্তমানে জনতার কাঠগড়ায় দাঁড়ানো। গত দুই বছরে চারটি নির্বাচন করেও তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে সরকার গঠন করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় তার কট্টরপন্থী ইহুদিদের সমর্থন অত্যন্ত প্রয়োজন। তা ছাড়া ফিলিস্তিনিদের ওপর একটি ম্যাসাকার আপতিত করে তিনি প্রমাণ করতে চাচ্ছেন যে, ইহুদিদের নিরাপত্তার জন্য তিনিই একমাত্র যোগ্য নেতা।
‘ওআইসি’ এবং বর্তমান দুর্নীতিপরায়ণ এবং ক্ষমতালিপ্সু আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর নেতৃত্বকে দিয়ে ফিলিস্তিনিদের দুরবস্থার কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। এ জন্য দরকার নিজের ধর্মীয় আদর্শের চেতনায় উদ্বুদ্ধ তরুণ মুসলিম সমাজের জাগরণ।
লেখক : নিরাপত্তা বিশ্লেষক
Email: maksud2648@yahoo.com



