আজকের পত্রিকা

বাংলাদেশ নাজুক অবস্থা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে : দুই কংগ্রেসম্যানের চিঠি

বাংলাদেশ নাজুক অবস্থা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে : দুই কংগ্রেসম্যানের চিঠি

আসন্ন নির্বাচন সহিংসতা ও প্রতিশোধের চক্র থেকে বেরিয়ে আসার একটি বড় সুযোগ। আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সরকার গঠনের পথ সুগম করতে এ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে সহায়ক হবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নাজুক অবস্থা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের দুই কংগ্রেসম্যান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রোবিওকে লেখা চিঠি লিখেছেন। কংগ্রেসম্যানরা বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন।

কংগ্রেসম্যান জো উইলসন এবং নাইল পাও সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিতে এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচন সহিংসতা ও প্রতিশোধের চক্র থেকে বেরিয়ে আসার একটি বড় সুযোগ। আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সরকার গঠনের পথ সুগম করতে এ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে সহায়ক হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের একজন নেতার হত্যাকাণ্ড এবং একজন শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে কংগ্রেসম্যানরা বলেন, এই প্রেক্ষাপট লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

চিঠিতে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রথমবার নির্বাচন হতে যাচ্ছে। জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চার শ’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না অভিমত দিয়েছিল।

কংগেসম্যানরা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে।

চিঠিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে সম্পর্কে কংগ্রেস সদস্যদের অবহিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারির আগেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ওপর একটি ব্রিফিং দেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাত মিনিটে এক মাইল দৌড়াতে হবে

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিআরইউ গেমসের পুরস্কার বিতরণ

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পিএসজির প্রথম জয়

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঝিলি-বর্ষার লক্ষ্য মূল জাতীয় দল

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইউএস ওপেনের নতুন চ্যাম্পিয়ন জভেরেভ