সিনেমার কাজ শেষে ঢাকায় শিরীন শিলা
টানা দশ দিন বান্দরবানের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে শুটিং শেষে গত শুক্রবার রাতে বান্দরবান থেকে ঢাকায় ফিরেছেন চিত্রনায়িকা শিরীন শিলা। সরকারি অনুদানে নির্মীয়মাণ সিনেমা ‘নীল আকাশে পাখি উড়ে’ সিনেমার প্রথম লটের কাজ শেষে ফিরেছেন শিরীন শিলা। সিনেমাটি নির্মাণ করছেন সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা এসডি রুবেল। সিনেমাটিতে ‘নীল আকাশ আশ্রয় কেন্দ্র’র একজন শিক্ষিকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে শিলাকে। তার বিপরীতে আকাশ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে এসডি রুবেলকে। সিনেমাটিতে অভিনয় যেমন করছেন এসডি রুবেল, আবার সিনেমাটি পরিচালনাও করছেন তিনি। সিনেমাটিতে যতগুলো দ্বৈত গান রয়েছে সবগুলোতে তিনিই কণ্ঠ দিয়েছেন। একজন সঙ্গীতশিল্পী হয়ে যখন এসডি রুবেল একজন অভিনেতাও তখন তার পরিচালিত সিনেমায় আর কাউকে নেবার প্রয়োজনও হচ্ছে না। তিনিই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন, তিনিই অভিনয় করছেন, তিনিই গাইছেন। সিনেমাটিতে শায়লা চরিত্রে অভিনয় করা প্রসঙ্গে শিরীন শিলা বলেন, ‘যেহেতু রোজার মাসে কাজ শুরু হয়েছে। রোজা রেখে সিনেমার কাজ করতে খুব কষ্ট হয়েছে। যদি রোজার সময়ের বাইরে অন্য কোনো সময় শুটিংটা হতো তাহলে হয়তো আরো মনোযোগ দিয়ে কাজটা করতে পারতাম। তার পরও চেষ্টা করেছি আমি আমার শায়লা চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য। আন্তরিক ধন্যবাদ সিনেমার পরিচালকসহ পুরো টিমকে।’ শিরীন শিলা জানান, এর পরের লটে তিনি ঢাকা কিংবা ঢাকার আশপাশের এলাকায় ‘নীল আকাশে পাখি উড়ে’ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবেন। এসডি রুবেল জানান, আপাতত শিরীন শিলার কাজ বান্দরবানে শেষ বিধায় ঢাকায় চলে গেছেন তিনি। তিনি আরো কয়েক দিন বান্দরবানে সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। এদিকে বিয়ের পর ঢাকায় ফিরে গতকাল নিজ বাসাতেই ইফতার করেছেন শিরীন শিলা। আজ শ^শুরবাড়িতে ইফতার করবেন বলে জানান তিনি।’ ‘নীল আকাশে পাখি’ উড়ে সিনেমার টাইটেল সং গেয়েছেন কোনাল। এছাড়াও আরো দু’টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন লুইপা। সিনেমার গানগুলো নিয়ে এসডি রুবেল ভীষণ আশাবাদী। এর আগেও এসডি রুবেল সরকারি অনুদানে ‘বৃদ্ধাশ্রম’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছিলেন। আবারো তিনি সরকারি অনুদান পেলেন। আবারো তিনি সরকারি অনুদানেই নির্মাণ করছেন শিরীন শিলাকে নিয়ে ‘নীল আকাশে পাখি উড়ে’ সিনেমাটি। উল্লেখ্য, শিরীন শিলা অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘শেষ বাজি’। তার বিপরীতে ছিলেন সাইমন সাদিক। এটি ২০২৪ সালে মুক্তি পায়। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘হিটম্যান’। এরপর ‘ক্ষণিকের ভালোবাসা’, ‘মিয়া বিবি রাজি’, ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’সহ আরো বেশকিছু দর্শকপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।



