আজকের পত্রিকা

বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের জন্য ১৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প

মেয়াদ ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত

  • বিকল্প শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে ১৯ হাজার ২০০’ শিশু
  • মোট খরচের সাড়ে ৬ শতাংশ দেবে ইউনিসেফ

দেশের ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের শিক্ষার মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে ‘বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষার সুযোগ’ শীর্ষক একটি বড় প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ১৫৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি দেশের ৬৪টি জেলার ৬৪টি নির্বাচিত উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই) ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন বছর মেয়াদে এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো বিদ্যালয়হীন শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, কমপক্ষে ৫০ শতাংশ মেয়েশিশুর ভর্তি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় ১৯ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি সাড়ে সাত হাজার টাকা করে মোট ১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি প্রদান করা হবে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের বেশির ভাগ অর্থাৎ প্রায় ৯৩ শতাংশ (১৪৭ কোটি ৩ লাখ টাকা) বহন করবে বাংলাদেশ সরকার। বাকি ১১ কোটি ৭০ লাখ টাকা (সাড়ে ৬ শতাংশ) বৈদেশিক অনুদান হিসেবে ইউনিসেফ থেকে পাওয়া যাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসককে প্রধান করে একটি জেলা পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিকেলের শিফটে এই প্রশিক্ষণ ও পাঠদানকার্যক্রম পরিচালিত হবে।

প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর নিজস্ব জনবল। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং সদ্য পাস করা শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেয়া হলেও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তা নবায়নযোগ্য হবে।

প্রকল্পের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা খাতে প্রায় ৬১ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণে প্রায় ৬৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এ ছাড়া সেমিনার, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং জরিপ ও ম্যাপিং কাজের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জরিপ বা ম্যাপিং কাজের জন্য একটি ফার্মকে দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং গবেষণা খাতে এক কোটি সাত লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের মতে, এই ‘বিকল্প শিক্ষাকার্যক্রম (এএলও)’ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা আরো শক্তিশালী হবে এবং ঝরে পড়া শিশুরা সমাজের দক্ষ সম্পদে পরিণত হবে।

এই সম্পর্কিত আরও

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাত মিনিটে এক মাইল দৌড়াতে হবে

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিআরইউ গেমসের পুরস্কার বিতরণ

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পিএসজির প্রথম জয়

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঝিলি-বর্ষার লক্ষ্য মূল জাতীয় দল

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইউএস ওপেনের নতুন চ্যাম্পিয়ন জভেরেভ