আমরা অনেক সময় একসাথে বসে গল্প করি। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে চলে নানান রকম গল্প। আর চলে বিভিন্ন ধরনের রসিকতা। শরিয়তের গণ্ডিতে তা অনুমোদিত। তবে এ ক্ষেত্রে যে কাজটি বেশি করে থাকি সেটি হলো মানুষকে বেশি পরিমাণে হাসাতে গিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া। আর মিথ্যা হলো সবচেয়ে বড় গুনাহ। নবীজি সা:ও তাঁর সাহাবিদের সাথে মাঝে মধ্যে রসিকতা করতেন। তবে নবীজী সা: কিংবা সাহাবিরা কখনোই তারা মিথ্যা বলতেন না। হজরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত- সাহাবিরা বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আমাদের সাথে রসিকতাও করেন। তিনি বলেন, ‘আমি সত্য ছাড়া কিছু বলি না।’ (আদাবুল মুফরাদ-২৬৪)
নবীজি সা:-এর রসিকতা : হজরত আনাস ইবনে মালেক রা: থেকে বর্ণিত- এক ব্যক্তি নবী সা:-এর কাছে একটি বাহন চাইতে আসে। তিনি বলেন, ‘আমি তোমাকে একটি উষ্ট্রীর বাচ্চা বাহন হিসেবে দেবো।’ সে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! উষ্ট্রীর বাচ্চা দিয়ে আমি কী করব! রাসূল সা: বলেন, ‘উষ্ট্রীই তো উট প্রসব করে।’ (আদাবুল মুফরাদ-২৬৭)
সাহাবিদের পারস্পরিক রসিকতা : হজরত বকর ইবনে আবদুল্লাহ রহ: থেকে বর্ণিত- নবী সা:-এর সাহাবিরা একে অপরের প্রতি তরমুজ নিক্ষেপ করেও রসিকতা করতেন। কিন্তু তারা কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হলে যোগ্য পুরুষই প্রতিপন্ন হতেন। (আদাবুল মুফরাদ-২৬৫)
লেখক : মুহাদ্দিস, জামিয়া ইমাম আবু হানিফা রহ:, ভাটারা, গুলশান, ঢাকা।
রসিকতায় মিথ্যা বলা গোনাহ
আমরা অনেক সময় একসাথে বসে গল্প করি। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে চলে নানান রকম গল্প। আর চলে বিভিন্ন ধরনের রসিকতা। শরিয়তের গণ্ডিতে তা অনুমোদিত।...



