শিশুর ঘরের সাজ যেমন ভিন্ন হয়, বয়স্কদের ঘরের সাজেও থাকতে হয় তার পছন্দের প্রতিফলন। অন্য দিকে ছেলেদের ঘরের আর মেয়েদের ঘরের সাজ এক রকম হতে পারে না। সদ্য কৈশোরে ঢোকা টিনএজ বয়সীদের নিজস্ব ঘরের ইন্টেরিয়র হবে একেবারেই আলাদা। কারণ, টিনএজারদের চিন্তাভাবনা থাকে বড়দের থেকে ভিন্ন। বড়রা শান্ত, ছিমছাম, সুন্দর ঘরের সাজই পছন্দ করেন; কিন্তু টিনএজারদের ঘরে থাকতে হবে তারুণ্য, উচ্ছ্বাস আর আনন্দের প্রতিফলন। এনার্জিতে ভরপুর ডেকোরেশন। ঘরটা টিনএজারদের নিজস্ব জগৎ হয়ে ওঠে। তাই তাদের পছন্দ আর ভালো লাগার জিনিস দিয়েই তারা সাজিয়ে তুলতে চায় নিজস্ব জগৎ।
টিনএজারদের ঘরের সাজ হতে পারে থিম-ভিত্তিক। যেমনÑ জাহাজের মতো করে ঘরের সাজ, আসবাব, জিনিসপত্র রাখা যেতে পারে। সেজন্য খাটটা হতে পারে জাহাজের মতো ডিজাইন করা। সিলিংয়ে রাখা যেতে পারে একটা নেট। তাতে কিছু কৃত্রিম জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ দিয়ে সাজানো যায়। এক পাশে রাখা যায় জাহাজের হুইল। দেয়ালের রঙের সাথে মিল রেখে হতে পারে নীল বা সিগ্রিন।
হ যারা মিউজিক পছন্দ করে তাদের ঘর সাজাতে ব্যবহার করা যায় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বা বাদ্যযন্ত্রের ছবি। সেই সাথে প্রিয় গায়ক-গায়িকার পোস্টার দিয়ে সাজাতে পারেন ঘরের দেয়াল।
হ বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ বা যন্ত্রাংশের ছবি দিয়েও অনেকে নিজের ঘরটি সাজাতে পছন্দ করেন।
হ কিশোরদের ঘর যেহেতু, তাই বই-খাতাই হবে মুখ্য বিষয়। লেখাপড়ার নানা সরঞ্জাম দিয়েও ঘর সাজানো যায়। বিভিন্ন অক্ষর, শব্দ বা ডিজিট নানা ডেকোরেশন আইটেম হিসেবে আজকাল পাওয়া যায়। এসব দিয়ে সহজেই সাজিয়ে তোলা যায় কিশোরদের ঘর। অন্দর সাজের সাথে শিক্ষা উপকরণ হিসেবেও এগুলো কাজ করবে।
শিশুর ঘরের সাজ যেমন ভিন্ন হয়, বয়স্কদের ঘরের সাজেও থাকতে হয় তার পছন্দের প্রতিফলন। অন্য দিকে ছেলেদের ঘরের আর মেয়েদের ঘরের সাজ এক রকম হতে...
