কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রদানের সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ বক্তারা।
তারা বলেন, উচ্চরক্তচাপ মোকাবেলায় সরকার অতি সম্প্রতি কমিউনিটি ক্লিনিকের ওষুধ তালিকায় উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা প্রশংসনীয়। তবে উচ্চ রক্তচাপ ও উচ্চ রক্তচাপজনিত বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান প্রকোপ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ করতে এই সিদ্ধান্ত দ্রুত যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
রাজধানীর বিএমএ ভবনে গতকাল ‘হাইপারটেনশন কন্ট্রোল ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এ সময় কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে নিরবিচ্ছিন্ন ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও এ খাতে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত ২৬ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজনের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসাব্যবস্থা এক্ষেত্রে কার্যকরী এবং ব্যয়-সাশ্রয়ী
পদক্ষেপ হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ারের (সিবিএইচসি) লাইন ডিরেক্টর ডা. মো: কাইয়ুম তালুকদার জানান, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রদানের সিদ্ধান্ত দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে। এই কার্যক্রম শুরু হলে দেশে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ কমে আসবে।
আলোচক হিসেবে ছিলেন জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মোহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস, এনটিভির হেড অফ নিউজ অ্যান্ড কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জহিরুল আলম এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের হাইপারটেনশন কন্ট্রোল প্রোগ্রামের ম্যানেজার ডাশামীম জুবায়ের এবং প্রজ্ঞার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক কর্মসূচির সমন্বয়ক সাদিয়া গালিবা প্রভা।
