জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্রোহী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে ভিন্ন ভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল তাদের পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর সম্পন্নের আগেই সিট বাতিল ও শিক্ষার্থীর সাথে অসদাচরণের অভিযোগ এনে গত ১২ মার্চ (বুধবার) প্রভোস্ট ড. সাইফুল ইসলামের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন করে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ইফতার অনুষ্ঠানে টোকেন দিতে আপত্তি জানানোর অভিযোগ এনে ওই শিক্ষাবর্ষের বিদ্রোহী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ইফতার বয়কট করে চার দফা দাবিতে আন্দোলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮-১৯ শিক্ষার্থীবর্ষের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনে ভিসিকে জিম্মি করে দাবি আদায় করার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পরেরদিন সকালে বিদ্রোহী হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামের মানহানির প্রতিবাদে তিন দফা দাবি জানিয়ে প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে কর্মসূচি পালন করে সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভুত পরিস্থিতিতে পাঁচ দফা ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদল। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক ইমরান হোসেন প্রধান ও সদস্য সচিব আল-আমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাদের পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিদ্রোহী হল প্রভোস্টের সম্মানহানির সাথে জড়িত সবাইকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তদন্ত ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক হল প্রভোস্টের বিরুদ্ধে নেয়া সব ধরনের অন্যায় ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বাতিল বলে ঘোষণা করতে হবে। যে সব ব্যক্তি, অনলাইন পেজ ও গ্রুপ মুষ্টিমেয় শিক্ষার্থীকে উস্কে দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। হলের ভাড়া কমিয়ে ৫০ টাকা করতে হবে। ছাত্রলীগের পদধারী সবাইকে রোববার সকাল ১০ টার মধ্যে হল ত্যাগ করাতে হবে। হলের খাবারে ভর্তুকি বাড়াতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলে শিক্ষার্থীদের জন্য ডাল-ভাত ফ্রি করতে হবে।



