রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন যথাসময়ে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ আগের স্থানে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ মিছিলে তারা সিন্ডিকেট না রাকসু? রাকসু রাকসু, ‘সিন্ডিকেট না রুয়া? রুয়া রুয়া’, ‘রাকসু নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘রুয়া নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘সিলেকশন না ইলেকশন? ইলেকশন ইলেকশন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন তারা।

সমাবেশ শিক্ষার্থীরা জানান, রুয়া নির্বাচন সঠিক সময়েই করতে হবে। এটা নিয়ে কোনো টালবাহানা আমরা করতে দিব না। যে কুচক্রী মহল রুয়া বানচাল করতে চাচ্ছে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হোক। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র আমরা সহ্য করব না। আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে হলেও রুয়া এবং রাকসু নির্বাচন দিতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রাণের সংগঠন হলো রুয়া। রুয়া নির্বাচনকে আমরা একটা পরীক্ষা হিসাবে নিচ্ছি। যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রুয়া নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে করতে পারে তাহলে আমাদের দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবি রাকসু নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে দিতে পারবে বলে মনে করি।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আরেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছি রুয়াকে বানচাল করার অপচেষ্টা যারা করছে তারা রাকসুকে বানচাল করার অপচেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা রুয়া নিয়ে সাবেকদের থেকে বেশি ভাবছি, কারণ রুয়া হওয়ার সুশৃঙ্খলতার ওপর নির্ভর করছে যে আগামীতে রাকসু নির্বাচন কেমন হবে। এটার ওপরই নির্ভর করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কতটা গণতান্ত্রিক।’

এই বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।