এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে করা মামলায় লঞ্চটির দুই মাস্টারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
তারা হলেন ৫ নম্বর আসামি লঞ্চের ইনচার্জ মাস্টার মোঃ রিয়াজ সিকদার ও ৭ নম্বর আসামি সেকেন্ড দ্বিতীয় মাস্টার মোঃ খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার নৌ-আদালতের বিচারক স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগমের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নৌ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটিং অফিসার মোঃ বেল্লাল হোসাইন জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত উক্ত আসামিরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করতে এসেছেন। বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও নিহতের ঘটনায় লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখসহ আটজনের বিরুদ্ধে গত ২৬ ডিসেম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য আসামিরা হলেন ওই জাহাজের ইনচার্জ মাস্টার রিয়াজ সিকদার, ইনচার্জ ড্রাইভার মাসুম বিল্লাহ, সেকেন্ড মাস্টার খলিলুর রহমান, সেকেন্ড ড্রাইভার ও আবুল কালাম, শামীম আহাম্মেদ, রাসেল আহম্মেদ ও ফেরদৌস হাসান রাব্বি। দু’জন চালক ও দু’জন মাস্টার ছাড়া বাকিরা নৌযানটির মালিক বলে জানা গেছে।
এদিন নৌ পরিবহন অধিদফতরের প্রধান পরিদর্শক শফিকুর রহমান এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-নিরাপত্তা অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (সংশোধিত ২০০৫) এর ৫৬, ৬৬, ৬৯ ও ৭০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এসব ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।






